ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হলেন নাগরিক টেলিভিশনের রুবেল মজুমদার ছবির ফ্রেমে ধরে রাখা জীবনের গল্প-আম্বিয়া বেগম অন্তরা চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন. ড. মো. আখতার হোসেন সাতকানিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ও নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজন নিয়ে মতবিনিময়

অবশেষে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৩৩:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩ ২৩৬ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

মৌসুম শেষ হতে না হতেই তেঁতে উঠা পেঁয়াজের বাজার শীতল করতে আমদানির অনুমতি দিল কৃষি মন্ত্রণালয়। পেঁয়াজের বাজার সহনীয় করতে আমদানির বিকল্প নেই জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চিঠি দেওয়ার দুই সপ্তাহ পর দর ১০০ টাকায় পৌঁছে যাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত এল। গতকাল রোববার বিকালে মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বার্তায় এ কথা জানান হয়। এতে বলা হয়, “আগামীকাল (আজ সোমবার) থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেবে কৃষি মন্ত্রণালয়।” পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আয়ের, শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট লাঘবসহ সব ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথাও উল্লেখ করা হয় এই বার্তায়। ঈদের আগে থেকে পেঁয়াজের হঠাৎ বাড়তি দর ঈদ শেষে চড়তে শুরু করে। সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য বলছে, এক মাসের মধ্যে পেঁয়াজের দর ৩০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। দাম ৬০ টাকা হয়ে যাওয়ার পর গত ১০ মে প্রথমবারের মতো পেঁয়াজ আমদানির কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সাংবাদিকদের তিনি সেদিন দাম না কমলে আমদানির অনুমতি দেওয়ার কথা বলেন। তবে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হাতে নেই। প্রথমবারের মতো আমদানির কথা বলার ৯ দিন পর বাণিজ্যমন্ত্রী আবার একই কথা বলেন। কিন্তু সেদিন ঢাকার বড় বাজারে পেঁয়াজের দর ওঠে ৮০ টাকা, গলির বাজারে তা ওঠে ৯০ টাকা। একই দিন এক প্রশ্নে কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার বলেন, “আমরা এখনও বাজারটা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। আমরাও দেখছি পেঁয়াজের দামটা বাড়ছে। আমরা বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।” ২১ মে প্রকাশ পায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে কৃষিতে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব গেছে। সেদিন রাজধানীতে এক আলোচনায় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন পর্যাপ্ত হয়েছে। কিন্তু বেশি মুনাফা লাভের আশায় অনেকে পেঁয়াজ মজুদ রেখে সংকট তৈরি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করা হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম কয়েক দিনের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়েছে। “বর্তমান বাজার বিবেচনায় আমরা পেঁয়াজ আমদানির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে কৃষি মন্ত্রণালয় অবহিত করেছি। ইমপোর্ট পারমিট বা আইপি যেহেতু কৃষি মন্ত্রণালয় দিয়ে থাকে তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।” বাণিজ্য থেকে কৃষিতে চিঠি যাওয়ার খবরে পেঁয়াজের দর কিছুটা নিম্নমুখী হয়। কেজিপ্রতি দাম কমে ১০ থেকে ১৫ টাকা। কিন্তু কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক এ নিয়ে আরও পর্যবেক্ষণ করার কথা জানান। বিপুল সংখ্যক পেঁয়াজ চাষি মুনাফা পাচ্ছেন, এটি ছিল আরও অপেক্ষার পেছনে তার যুক্তি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অবশেষে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০২:৩৩:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০২৩

এফএনএস

মৌসুম শেষ হতে না হতেই তেঁতে উঠা পেঁয়াজের বাজার শীতল করতে আমদানির অনুমতি দিল কৃষি মন্ত্রণালয়। পেঁয়াজের বাজার সহনীয় করতে আমদানির বিকল্প নেই জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চিঠি দেওয়ার দুই সপ্তাহ পর দর ১০০ টাকায় পৌঁছে যাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত এল। গতকাল রোববার বিকালে মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বার্তায় এ কথা জানান হয়। এতে বলা হয়, “আগামীকাল (আজ সোমবার) থেকে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেবে কৃষি মন্ত্রণালয়।” পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আয়ের, শ্রমজীবী মানুষের কষ্ট লাঘবসহ সব ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথাও উল্লেখ করা হয় এই বার্তায়। ঈদের আগে থেকে পেঁয়াজের হঠাৎ বাড়তি দর ঈদ শেষে চড়তে শুরু করে। সরকারি সংস্থা টিসিবির তথ্য বলছে, এক মাসের মধ্যে পেঁয়াজের দর ৩০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। দাম ৬০ টাকা হয়ে যাওয়ার পর গত ১০ মে প্রথমবারের মতো পেঁয়াজ আমদানির কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সাংবাদিকদের তিনি সেদিন দাম না কমলে আমদানির অনুমতি দেওয়ার কথা বলেন। তবে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হাতে নেই। প্রথমবারের মতো আমদানির কথা বলার ৯ দিন পর বাণিজ্যমন্ত্রী আবার একই কথা বলেন। কিন্তু সেদিন ঢাকার বড় বাজারে পেঁয়াজের দর ওঠে ৮০ টাকা, গলির বাজারে তা ওঠে ৯০ টাকা। একই দিন এক প্রশ্নে কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার বলেন, “আমরা এখনও বাজারটা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। আমরাও দেখছি পেঁয়াজের দামটা বাড়ছে। আমরা বসে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।” ২১ মে প্রকাশ পায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে কৃষিতে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব গেছে। সেদিন রাজধানীতে এক আলোচনায় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন পর্যাপ্ত হয়েছে। কিন্তু বেশি মুনাফা লাভের আশায় অনেকে পেঁয়াজ মজুদ রেখে সংকট তৈরি করে বাজারকে অস্থিতিশীল করা হয়েছে। ভোক্তা পর্যায়ে পেঁয়াজের দাম কয়েক দিনের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়েছে। “বর্তমান বাজার বিবেচনায় আমরা পেঁয়াজ আমদানির জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে কৃষি মন্ত্রণালয় অবহিত করেছি। ইমপোর্ট পারমিট বা আইপি যেহেতু কৃষি মন্ত্রণালয় দিয়ে থাকে তাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।” বাণিজ্য থেকে কৃষিতে চিঠি যাওয়ার খবরে পেঁয়াজের দর কিছুটা নিম্নমুখী হয়। কেজিপ্রতি দাম কমে ১০ থেকে ১৫ টাকা। কিন্তু কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক এ নিয়ে আরও পর্যবেক্ষণ করার কথা জানান। বিপুল সংখ্যক পেঁয়াজ চাষি মুনাফা পাচ্ছেন, এটি ছিল আরও অপেক্ষার পেছনে তার যুক্তি।