ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ নওগাঁর মান্দায় সড়ক উন্নয়ন কাজে বাধা’ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সমাধান সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ’ রাস্তাবিহীন মানবেতর জীবনযাপন ঈশ্বরদীতে মুলাডুলি প্রিমিয়ার লীগ সিজন-৩ এর খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার- ১ ঈশ্বরদীতে অপপ্রচারের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরদীতে শতাধিক মৌচাষীর অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের আপসহীন কণ্ঠস্বর খোন্দকার দেলোয়ার: স্বাধীনতা পদকই হোক যোগ্য সম্মান” দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াতে ঈশ্বরদীতে ‘তারবিয়াতুল উম্মাহ্ নূরানী মাদরাসা উদ্বোধন

পাবনায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদের লাশ উত্তোলনে প্রতিবাদ বিক্ষোভ

পাবনা প্রতিনিধি :-
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

পাবনায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান আবু সাঈদসহ একাধীন নেতাকর্মী অস্ত্র হাতে নিয়ে শিক্ষার্থীদের গুলি চালায়।প্রথমে গুলি বর্ষণ করে আবু সাঈদ খাঁন এতে নিহত হয় দুই শিক্ষার্থী।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময়ে কোর্টের আদেশ অনুযায়ী নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের কথা শুনে সকাল আটটায় সকল শিক্ষার্থী হাজিরহাট এলাকায় একতাবদ্ধ হয়। সময় পার হলে শিক্ষার্থীদের জড় হওয়া বৃদ্ধি হতে থাকে। পুলিশের আসার সময় পার হলে সকল শিক্ষার্থী স্লোগান দিতে দিতে হাজিরহাট এলাকা থেকে সদর থানায় অবস্থান করে। সদর থানা এলাকা থেকে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ে অবস্থান করে।

এতে সহকারী পুলিশ সুপার(অর্থ প্রশাসন) মাসুদ আলম জানান,আমরা অবশ্যই শিক্ষার্থীদের পক্ষে কাজ করছি। কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে তদন্ত রিপোর্ট কোর্টে দেওয়ার সময় সকল কিছু তথ্যপ্রমানাদী প্রয়োজন তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের বিচারিক স্বার্থে এই রিপোর্ট করতে হবে। এই জন্য আমরা কবর থেকে তুলতে চেয়েছি। এতে শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে বলেন,আমরা শহীদের লাশ তুলতে দিবো না।আরো বলেন শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধুকে যখন হত্যা করেছিলো সে তো রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মান দেওয়া হয়েছে কিন্তু তার হত্যাকারীদের বিচার করা হলো কখনো লাশ তুলা হলো না, এতে শিক্ষার্থী ক্ষোভ ঝেরে এমন মন্তব্য করেন।

সহকারী পুলিশ সুপার(অর্থ প্রশাসন)মাসুদ আলম আরো বলেন,শিক্ষার্থীসহ নিহতের পরিবার যদি ময়নাতদন্ত না করতে দেয় তাহলে আমরা আমাদের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে এবং ম্যাজিস্ট্রেট ও চিকিৎসকদের সাথে বসে জানাবো।

এ সময়ে কিছু আশার বানী পাইলেও শিক্ষার্থীরা আবারো স্লোগান নিয়ে জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ে অবস্থান করে এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এর সাথে কথা বলে স্লোগান শেষ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী কিছুটা শান্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকে চোখ ভরা পানি নিয়ে।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান,আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি।আদালতের নির্দেশনায় আমরা লাশ উত্তোলন করতে চেয়েছিলাম কিন্তু বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের জন্য আজকে বাতিল করেছি। যদি আবার কখনো আদালত এমন কোন সিদ্ধান্ত দেয় তাহলে তখন শিক্ষার্থীদের সাথে এবং নিহতের পরিবারের সাথে কথাবার্তা বলে আমরা ব্যবস্থা নিবো। তখন নিহতের পরিবারও বুঝবে আবার শিক্ষার্থীরাও বুঝবে বিষয়টি।

শিক্ষার্থী বিপ্লব বলেন,এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা যে শহীদের লাশ তুলে তদন্ত করতে চায় এটা আমরা আপনারা কখনোই শুনি নাই। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তিনি এটি একটি গনহত্যা বলে দাবি করেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাবনায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদের লাশ উত্তোলনে প্রতিবাদ বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

পাবনায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান আবু সাঈদসহ একাধীন নেতাকর্মী অস্ত্র হাতে নিয়ে শিক্ষার্থীদের গুলি চালায়।প্রথমে গুলি বর্ষণ করে আবু সাঈদ খাঁন এতে নিহত হয় দুই শিক্ষার্থী।

আজ শনিবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময়ে কোর্টের আদেশ অনুযায়ী নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের কথা শুনে সকাল আটটায় সকল শিক্ষার্থী হাজিরহাট এলাকায় একতাবদ্ধ হয়। সময় পার হলে শিক্ষার্থীদের জড় হওয়া বৃদ্ধি হতে থাকে। পুলিশের আসার সময় পার হলে সকল শিক্ষার্থী স্লোগান দিতে দিতে হাজিরহাট এলাকা থেকে সদর থানায় অবস্থান করে। সদর থানা এলাকা থেকে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ে অবস্থান করে।

এতে সহকারী পুলিশ সুপার(অর্থ প্রশাসন) মাসুদ আলম জানান,আমরা অবশ্যই শিক্ষার্থীদের পক্ষে কাজ করছি। কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে তদন্ত রিপোর্ট কোর্টে দেওয়ার সময় সকল কিছু তথ্যপ্রমানাদী প্রয়োজন তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের বিচারিক স্বার্থে এই রিপোর্ট করতে হবে। এই জন্য আমরা কবর থেকে তুলতে চেয়েছি। এতে শিক্ষার্থীদের স্লোগানে স্লোগানে বলেন,আমরা শহীদের লাশ তুলতে দিবো না।আরো বলেন শিক্ষার্থীদের বঙ্গবন্ধুকে যখন হত্যা করেছিলো সে তো রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মান দেওয়া হয়েছে কিন্তু তার হত্যাকারীদের বিচার করা হলো কখনো লাশ তুলা হলো না, এতে শিক্ষার্থী ক্ষোভ ঝেরে এমন মন্তব্য করেন।

সহকারী পুলিশ সুপার(অর্থ প্রশাসন)মাসুদ আলম আরো বলেন,শিক্ষার্থীসহ নিহতের পরিবার যদি ময়নাতদন্ত না করতে দেয় তাহলে আমরা আমাদের উর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে এবং ম্যাজিস্ট্রেট ও চিকিৎসকদের সাথে বসে জানাবো।

এ সময়ে কিছু আশার বানী পাইলেও শিক্ষার্থীরা আবারো স্লোগান নিয়ে জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ে অবস্থান করে এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এর সাথে কথা বলে স্লোগান শেষ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী কিছুটা শান্তভাবে দাঁড়িয়ে থাকে চোখ ভরা পানি নিয়ে।

এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জানান,আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি।আদালতের নির্দেশনায় আমরা লাশ উত্তোলন করতে চেয়েছিলাম কিন্তু বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের জন্য আজকে বাতিল করেছি। যদি আবার কখনো আদালত এমন কোন সিদ্ধান্ত দেয় তাহলে তখন শিক্ষার্থীদের সাথে এবং নিহতের পরিবারের সাথে কথাবার্তা বলে আমরা ব্যবস্থা নিবো। তখন নিহতের পরিবারও বুঝবে আবার শিক্ষার্থীরাও বুঝবে বিষয়টি।

শিক্ষার্থী বিপ্লব বলেন,এটি একটি নজিরবিহীন ঘটনা যে শহীদের লাশ তুলে তদন্ত করতে চায় এটা আমরা আপনারা কখনোই শুনি নাই। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তিনি এটি একটি গনহত্যা বলে দাবি করেন ।