ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফটিকছড়ির মোবারক হোসেন ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার, অন্যরা পলাতক নাশকতার মামলায় যুবলীগের দুই সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেপ্তার বীরগঞ্জে পটল চাষে কৃষকের বাজিমাত গোপালগঞ্জের বর্ণি বাওড়ে অবৈধ ড্রেজারে মাটি কাটার দায়ে ৫ জনকে সাজা নেত্রকোণা জেলা পুলিশের তৎপরতায় মানবকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধির হারানো মোবাইল উদ্ধার মদনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু অপরাধের গ্রাফ বিগত যেকোন সময়ের চেয়ে নিম্নমুখী; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েন রুটিন দায়িত্ব- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাটগ্রামে চারটি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামি গ্রেফতার

শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফটিকছড়ির মোবারক হোসেন ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এম এস শ্রাবণ মাহমুদ স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৭:১৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা মোবারক হোসেন ইমনকে রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশের দাবি, তিনি কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে “বড় সাজ্জাদ”-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তার হয়ে অপরাধী নেটওয়ার্ক পরিচালনায় সক্রিয় ছিলেন।

সোমবার (২২ জুন)২৬খ্রিঃ রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুলশান-২ এলাকার একটি অভিজাত হোটেলের কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা ইমনের অবস্থান শনাক্তে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালানো হচ্ছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরের আলোচিত জোড়া খুন, ঢাকাইয়া আকবর হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিদেশে অবস্থানরত “বড় সাজ্জাদ”-এর হয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলে অপরাধী চক্রের কার্যক্রম সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন ইমন।
তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র বহন, সন্ত্রাসীদের সমন্বয় ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।

ইমনের গ্রেপ্তার’এ- চট্টগ্রাম অঞ্চলে সংঘবদ্ধ অপরাধী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফটিকছড়ির মোবারক হোসেন ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আপডেট সময় : ০৭:১৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা মোবারক হোসেন ইমনকে রাজধানী ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশের দাবি, তিনি কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে “বড় সাজ্জাদ”-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং তার হয়ে অপরাধী নেটওয়ার্ক পরিচালনায় সক্রিয় ছিলেন।

সোমবার (২২ জুন)২৬খ্রিঃ রাত সাড়ে ১০টার দিকে গুলশান-২ এলাকার একটি অভিজাত হোটেলের কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী।

পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা ইমনের অবস্থান শনাক্তে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি চালানো হচ্ছিল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যমতে, ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম নগরের আলোচিত জোড়া খুন, ঢাকাইয়া আকবর হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিদেশে অবস্থানরত “বড় সাজ্জাদ”-এর হয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চলে অপরাধী চক্রের কার্যক্রম সমন্বয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিলেন ইমন।
তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র বহন, সন্ত্রাসীদের সমন্বয় ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।

ইমনের গ্রেপ্তার’এ- চট্টগ্রাম অঞ্চলে সংঘবদ্ধ অপরাধী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে।