ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
 বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান ৩ কোটি টাকার ৮টি ব্রিজের কাজে অনিয়ম, ২ বছরেও শেষ হয়নি,তদন্তের কথা বলেন জেলা প্রশাসক বর্ণাঢ্য আয়োজনে রুয়েটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ উদযাপিত সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ

বীরগঞ্জে পটল চাষে কৃষকের বাজিমাত

মোজাম্মেল হক : বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:০৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬ ১২০ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ৪ নং পাল্টাপুর ইউনিয়নের ভোগডোমা গ্রামের কৃষক মো. রশিদুল ইসলাম পটল চাষ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।

২২ জুন সোমবার সরোজমিনে দেখা যায়, মাত্র ৫০ শতক জমিতে পটল চাষ করে তিনি ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লাভ করেছেন, যা এলাকার অন্যান্য কৃষকদেরও সবজি চাষে উৎসাহিত করছে।

কৃষক রশিদুল ইসলাম প্রতিবেদক কে জানান, চলতি মৌসুমে তিনি ৫০ শতক জমিতে দেশি জাতের পটল চাষ করেন। জমি প্রস্তুত, বীজ, সার, সেচ ও পরিচর্যাসহ পুরো চাষাবাদে তার প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরিচর্যা ও শ্রমের কারণে ভালো ফলন পেয়েছেন তিনি।

পটল ক্ষেতের পরিচর্যায় দুইজন শ্রমিক নজরুল ইসলাম ও সামসুল হক নিয়মিত কাজ করেছেন। তাদের শ্রম ও কৃষকের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে ক্ষেতে ভালো উৎপাদন হয়েছে। স্থানীয় বাজারে পটলের চাহিদা ও ভালো দাম পাওয়ায় উৎপাদিত ফসল বিক্রি করে তিনি ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন।

কৃষক হরমুজ আলী জনান, ধানসহ অন্যান্য ফসলের তুলনায় পটল চাষে খরচ কম হলেও লাভের সম্ভাবনা বেশি। এজন্য অনেক কৃষক এখন লাভজনক সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে পটল চাষে সফলতার এ উদাহরণ এলাকায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মো শরিফুল ইসলাম জানান , বীরগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন নিরাপদ শাকসবজি আবাদ হয় যা সারা বাংলাদেশে শাকসবজি চাহিদা পূরণ করে এর মধ্য থেকে রশিদুল ইসলাম পটল চাষে সাফল্য এলাকায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে ।

তিনি আরো বলেন বীরগঞ্জ উপজেলায় ১৭ হেক্টর জমিতে পটল চাষ হয়েছে বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হতে পারবেন।

রশিদুল ইসলামের এই সাফল্য বীরগঞ্জ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বীরগঞ্জে পটল চাষে কৃষকের বাজিমাত

আপডেট সময় : ০৭:০৭:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ৪ নং পাল্টাপুর ইউনিয়নের ভোগডোমা গ্রামের কৃষক মো. রশিদুল ইসলাম পটল চাষ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।

২২ জুন সোমবার সরোজমিনে দেখা যায়, মাত্র ৫০ শতক জমিতে পটল চাষ করে তিনি ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লাভ করেছেন, যা এলাকার অন্যান্য কৃষকদেরও সবজি চাষে উৎসাহিত করছে।

কৃষক রশিদুল ইসলাম প্রতিবেদক কে জানান, চলতি মৌসুমে তিনি ৫০ শতক জমিতে দেশি জাতের পটল চাষ করেন। জমি প্রস্তুত, বীজ, সার, সেচ ও পরিচর্যাসহ পুরো চাষাবাদে তার প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরিচর্যা ও শ্রমের কারণে ভালো ফলন পেয়েছেন তিনি।

পটল ক্ষেতের পরিচর্যায় দুইজন শ্রমিক নজরুল ইসলাম ও সামসুল হক নিয়মিত কাজ করেছেন। তাদের শ্রম ও কৃষকের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে ক্ষেতে ভালো উৎপাদন হয়েছে। স্থানীয় বাজারে পটলের চাহিদা ও ভালো দাম পাওয়ায় উৎপাদিত ফসল বিক্রি করে তিনি ইতোমধ্যে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন।

কৃষক হরমুজ আলী জনান, ধানসহ অন্যান্য ফসলের তুলনায় পটল চাষে খরচ কম হলেও লাভের সম্ভাবনা বেশি। এজন্য অনেক কৃষক এখন লাভজনক সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষ করে পটল চাষে সফলতার এ উদাহরণ এলাকায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

বীরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মো শরিফুল ইসলাম জানান , বীরগঞ্জ উপজেলায় বিভিন্ন নিরাপদ শাকসবজি আবাদ হয় যা সারা বাংলাদেশে শাকসবজি চাহিদা পূরণ করে এর মধ্য থেকে রশিদুল ইসলাম পটল চাষে সাফল্য এলাকায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে ।

তিনি আরো বলেন বীরগঞ্জ উপজেলায় ১৭ হেক্টর জমিতে পটল চাষ হয়েছে বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হতে পারবেন।

রশিদুল ইসলামের এই সাফল্য বীরগঞ্জ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ হয়ে উঠেছে।