ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হলেন নাগরিক টেলিভিশনের রুবেল মজুমদার ছবির ফ্রেমে ধরে রাখা জীবনের গল্প-আম্বিয়া বেগম অন্তরা চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন. ড. মো. আখতার হোসেন সাতকানিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ও নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজন নিয়ে মতবিনিময়

শেখ হাসিনার ট্রেনে হামলা, কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিএনপির আরও পাঁচ নেতা

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৩২৬ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ঈশ্বরদীতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলুসহ বিএনপির আরও পাঁচ নেতা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এ নিয়ে এ মামলায় কারাবরণকারী সবাই খালাস পেলেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে পাবনা ও রাজশাহী কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেন নেন। এর আগে গতকাল সোমবার দুপুরে পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি জাকারিয়া পিন্টুসহ তিন নেতাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

আজ কারামুক্তরা হলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলু, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি একেএম আক্তারুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কমিশনার শামসুল আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান শাহীন এবং ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীন।

১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা উত্তরাঞ্চলে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে ট্রেনে করে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ট্রেনটি পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ঢোকার সময় ট্রেনবহরকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। ২০১৯ সালের ৩ জুলাই মামলার রায় দেন পাবনার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক রুস্তম আলী। এতে স্থানীয় বিএনপির ৫২ নেতাকর্মীর মধ্যে নয়জনকে ফাঁসি, ২৫ জনের যাবজ্জীবন এবং ১৩ জনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সরকার পতনের পর ২৯ আগস্ট আপিল বিভাগের যৌথ বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানি শেষে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৯ আসামি বাদে ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত ১২ জন ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৮ জনকে জামিন দেন আদালত। পরে তারা কারা মুক্ত হন। আর নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম ও বিচারপতি হামিদুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ফাঁসির নয়জনসহ সাজাপ্রাপ্ত সবাইকে খালাস দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শেখ হাসিনার ট্রেনে হামলা, কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বিএনপির আরও পাঁচ নেতা

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রেনে গুলি ও বোমা হামলার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলুসহ বিএনপির আরও পাঁচ নেতা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এ নিয়ে এ মামলায় কারাবরণকারী সবাই খালাস পেলেন।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে পাবনা ও রাজশাহী কারাগার থেকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেন নেন। এর আগে গতকাল সোমবার দুপুরে পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি জাকারিয়া পিন্টুসহ তিন নেতাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

আজ কারামুক্তরা হলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র মকলেছুর রহমান বাবলু, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি একেএম আক্তারুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কমিশনার শামসুল আলম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আজিজুর রহমান শাহীন এবং ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীন।

১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা উত্তরাঞ্চলে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে ট্রেনে করে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। ট্রেনটি পাবনার ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ঢোকার সময় ট্রেনবহরকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে। ২০১৯ সালের ৩ জুলাই মামলার রায় দেন পাবনার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক রুস্তম আলী। এতে স্থানীয় বিএনপির ৫২ নেতাকর্মীর মধ্যে নয়জনকে ফাঁসি, ২৫ জনের যাবজ্জীবন এবং ১৩ জনকে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সরকার পতনের পর ২৯ আগস্ট আপিল বিভাগের যৌথ বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানি শেষে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৯ আসামি বাদে ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত ১২ জন ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৮ জনকে জামিন দেন আদালত। পরে তারা কারা মুক্ত হন। আর নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব উল ইসলাম ও বিচারপতি হামিদুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ ফাঁসির নয়জনসহ সাজাপ্রাপ্ত সবাইকে খালাস দেন।