ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফটিকছড়ির মোবারক হোসেন ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার, অন্যরা পলাতক নাশকতার মামলায় যুবলীগের দুই সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেপ্তার বীরগঞ্জে পটল চাষে কৃষকের বাজিমাত গোপালগঞ্জের বর্ণি বাওড়ে অবৈধ ড্রেজারে মাটি কাটার দায়ে ৫ জনকে সাজা নেত্রকোণা জেলা পুলিশের তৎপরতায় মানবকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধির হারানো মোবাইল উদ্ধার মদনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু অপরাধের গ্রাফ বিগত যেকোন সময়ের চেয়ে নিম্নমুখী; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েন রুটিন দায়িত্ব- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাটগ্রামে চারটি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামি গ্রেফতার

এরিকাই প্রথম ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান’ নির্বাচিত হলেন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৩’ নির্বাচিত হয়েছেন করাচির এরিকা রবিন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত হয় গ্র্যান্ড ফিনালে। এ আসরে বিজয়ীর মুকুট পরেন তিনি। এরিকা প্রথম পাকিস্তানি নারী যে মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করবেন। আরব নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। মকুট বিজয়ের পর এরিকা রবিন তার ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তাতে তিনি বলেন, ‘প্রথম মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান বিজয়ী হয়ে সম্মানিত বোধ করছি। আমাদের সুন্দর সংস্কৃতি রয়েছে; যা মিডিয়া কখনো সামনে আনে না। পাকিস্তানের মানুষ খুবই উদার, দয়ালু ও অতিথিপরায়ন। আমার দেশটি ঘুরে যাওয়ার জন্য সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’ ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৩’-এর আয়োজন করেছিল দুবাই-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইউজেন গ্রুপ। গত মার্চে এ আয়োজনের কথা তারা জানিয়েছিল। আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, পাঁচজন প্রতিযোগী নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৩’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। চারজনকে হারিয়ে বিজয়ীর মুকুট পরেন এরিকা। বাকি চার প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন- হিরা ইনাম (২৪), জেসিকা উইলসন (২৮), মালেকা আলভি (১৯) এবং সাবরিনা ওয়াসিম (২৬)। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের করাচির একটি ক্রিশ্চিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এরিকা রবিন। সেন্ট প্যাট্রিক গার্লস হাই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পাকিস্তানের চণ্ডীগড়ের সরকারি কলেজ অব কমার্স অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে পড়াশোনা করেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে প্রথম পেশাদার মডেল হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন এরিকা। মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান খেতাব জয়ের কারণে এরিকা দেশটির কট্টরপন্থীদের রোষের মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। আরেকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এ ধরনের সুন্দরী প্রতিযোগিতায় নারীদের অংশ নেওয়ার অনুমতি পাকিস্তান সরকার দেয়নি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

এরিকাই প্রথম ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান’ নির্বাচিত হলেন

আপডেট সময় : ১১:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এফএনএস
‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৩’ নির্বাচিত হয়েছেন করাচির এরিকা রবিন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত হয় গ্র্যান্ড ফিনালে। এ আসরে বিজয়ীর মুকুট পরেন তিনি। এরিকা প্রথম পাকিস্তানি নারী যে মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করবেন। আরব নিউজ এ খবর প্রকাশ করেছে। মকুট বিজয়ের পর এরিকা রবিন তার ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তাতে তিনি বলেন, ‘প্রথম মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান বিজয়ী হয়ে সম্মানিত বোধ করছি। আমাদের সুন্দর সংস্কৃতি রয়েছে; যা মিডিয়া কখনো সামনে আনে না। পাকিস্তানের মানুষ খুবই উদার, দয়ালু ও অতিথিপরায়ন। আমার দেশটি ঘুরে যাওয়ার জন্য সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’ ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৩’-এর আয়োজন করেছিল দুবাই-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইউজেন গ্রুপ। গত মার্চে এ আয়োজনের কথা তারা জানিয়েছিল। আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, পাঁচজন প্রতিযোগী নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৩’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে। চারজনকে হারিয়ে বিজয়ীর মুকুট পরেন এরিকা। বাকি চার প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন- হিরা ইনাম (২৪), জেসিকা উইলসন (২৮), মালেকা আলভি (১৯) এবং সাবরিনা ওয়াসিম (২৬)। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের করাচির একটি ক্রিশ্চিয়ান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এরিকা রবিন। সেন্ট প্যাট্রিক গার্লস হাই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পাকিস্তানের চণ্ডীগড়ের সরকারি কলেজ অব কমার্স অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে পড়াশোনা করেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে প্রথম পেশাদার মডেল হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন এরিকা। মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান খেতাব জয়ের কারণে এরিকা দেশটির কট্টরপন্থীদের রোষের মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে। আরেকটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এ ধরনের সুন্দরী প্রতিযোগিতায় নারীদের অংশ নেওয়ার অনুমতি পাকিস্তান সরকার দেয়নি।