ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেত্রকোণা জেলা পুলিশের তৎপরতায় মানবকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধির হারানো মোবাইল উদ্ধার মদনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু অপরাধের গ্রাফ বিগত যেকোন সময়ের চেয়ে নিম্নমুখী; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েন রুটিন দায়িত্ব- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাটগ্রামে চারটি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামি গ্রেফতার চান্দিনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫ নেতা-কর্মী গ্রেফতার গাইবান্ধায় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে ঘিরে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, আপত্তিকর অবস্থায় আটকের দাবি; এলাকায় চাঞ্চল্য আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে যশোরে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখল ​কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে ডিসি, দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশনা নবীনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত, আধুনিক কৃষির প্রসারে নতুন দিগন্ত

গাজায় ৪০ শয্যাবিশিষ্ট ভাসমান হাসপাতাল পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩ ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

ইসরায়েলি আগ্রাসানে ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ভাসমান হাসপাতাল এবং বিমানে করে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে ফ্রান্স। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপের কোনো দেশ গাজায় ভাসমান হাসপাতাল পাঠাচ্ছে। এর আগে গাজাবাসীকে সহায়তার জন্য উপত্যকাটিতে ভাসমান হাসপাতাল পাঠিয়েছে ইতালি। এবার ফ্রান্সও তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। গত রোববার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক বিবৃতিতে বলেন, গাজায় চিকিৎসা সরঞ্জামাদিসহ বিমান এবং ভাসমান হাসপাতাল পাঠানো হবে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা গেছে, অবরুদ্ধ গাজায় আগামী বৃহস্পতিবার ১০ টনেরও বেশি চিকিৎসা সরঞ্জামবাহী বিমান পাঠাবে ফ্রান্স। এরপর আগামী ৩০ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় চিকিৎসা সহায়তা পাঠানো হবে। এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, ৪০ শয্যাবিশিষ্ট ফ্রেঞ্চ নৌবাহিনীর বিমানবহনকারী জাহাজ ডিক্সমুড কয়েকদিনের মধ্যেই মিশরে পৌঁছাবে। এছাড়াও গাজা থেকে অসুস্থ বা আহত শিশুদের সরিয়ে নেয়ার জন্য ফ্রান্সের বেসামরিক ও সামরিক বিমান ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে বলেন, ‘৫০টি ফিলিস্তিনি শিশুকে ফ্রান্সের হাসপাতালে জরুরিভিত্তিতে চিকিৎসা দেয়ার জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।’ প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা হামলা চালানোর পর ওই দিন থেকেই উপত্যকায় অভিযান পরিচালনা করছে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী। অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে এ অভিযানে যোগ দিয়েছে স্থল বাহিনীও। হামাস যোদ্ধাদের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয়েছিলেন ১ হাজার ২০০ জন। অন্যদিকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১৩ হাজারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাজায় ৪০ শয্যাবিশিষ্ট ভাসমান হাসপাতাল পাঠাচ্ছে ফ্রান্স

আপডেট সময় : ০৬:০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০২৩

এফএনএস

ইসরায়েলি আগ্রাসানে ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ভাসমান হাসপাতাল এবং বিমানে করে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে ফ্রান্স। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপের কোনো দেশ গাজায় ভাসমান হাসপাতাল পাঠাচ্ছে। এর আগে গাজাবাসীকে সহায়তার জন্য উপত্যকাটিতে ভাসমান হাসপাতাল পাঠিয়েছে ইতালি। এবার ফ্রান্সও তার সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। গত রোববার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক বিবৃতিতে বলেন, গাজায় চিকিৎসা সরঞ্জামাদিসহ বিমান এবং ভাসমান হাসপাতাল পাঠানো হবে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা গেছে, অবরুদ্ধ গাজায় আগামী বৃহস্পতিবার ১০ টনেরও বেশি চিকিৎসা সরঞ্জামবাহী বিমান পাঠাবে ফ্রান্স। এরপর আগামী ৩০ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় চিকিৎসা সহায়তা পাঠানো হবে। এদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, ৪০ শয্যাবিশিষ্ট ফ্রেঞ্চ নৌবাহিনীর বিমানবহনকারী জাহাজ ডিক্সমুড কয়েকদিনের মধ্যেই মিশরে পৌঁছাবে। এছাড়াও গাজা থেকে অসুস্থ বা আহত শিশুদের সরিয়ে নেয়ার জন্য ফ্রান্সের বেসামরিক ও সামরিক বিমান ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়। ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে বলেন, ‘৫০টি ফিলিস্তিনি শিশুকে ফ্রান্সের হাসপাতালে জরুরিভিত্তিতে চিকিৎসা দেয়ার জন্য তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।’ প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা হামলা চালানোর পর ওই দিন থেকেই উপত্যকায় অভিযান পরিচালনা করছে ইসরায়েলের বিমান বাহিনী। অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে এ অভিযানে যোগ দিয়েছে স্থল বাহিনীও। হামাস যোদ্ধাদের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হয়েছিলেন ১ হাজার ২০০ জন। অন্যদিকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১৩ হাজারে।