ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্ঘটনা রোধে ভাঙা ব্রিজে লাল নিশানা দিলেন——যুবদল রাঙামাটিতে গৃহবধূকে হত্যা, ঘর থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ কুমিল্লায় ফার্মেসিতে যৌথ অভিযান: ওষুধ বিক্রির আড়ালে মাদক ব্যবসার অভিযোগে গ্রেফতার-১ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পুনরায় যোগদান করলেন কর্মদক্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইউনুস আলী বালিয়াডাঙ্গীতে ২ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বাংলাদেশের ক্রীড়া যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর তীব্র গরমে ডুমুরিয়া পল্লী বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশেডিং, অতিষ্ঠ জনজীবন মদনে সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত ওসির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় হরিণাকুন্ডুতে ৫০ জন অগ্রগামী খামারি নিয়ে লাভজন চাষে ব্রাক ফিশারিজ এন্টারপ্রাইজ প্রশিক্ষন

ছবি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করলেন মিঠুন পুত্র

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩ ২২৯ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
বলিউডে আশির দশকে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর যশ-প্রতিষ্ঠা ছিল তুঙ্গে। নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। মিঠুনের কনিষ্ঠ পুত্র নমশিরও অভিষেক হতে চলেছে বলিউডে, রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত ‘ব্যাড বয়’ ছবিটি দিয়ে। এই ছবির প্রচারে এসে নমশি তার বাবার অভিনীত একটি ছবি নিয়ে কিছু বিরূপ মন্তব্য করেন। তার অসন্তোষ ১৯৯৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গুন্ডা’ ছবিটিতে মিঠুনের অভিনয় করা নিয়ে। তার মতে, এটি একটি ‘কুখ্যাত’ ছবি। মিঠুনের মানের অভিনেতার এই ছবিটিতে কাজ করা ঠিক হয়নি বলেই মত নমশির। যদিও, ব্যক্তিগত ভাবে ছবিটি পছন্দই করেন মিঠুন-পুত্র। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বলিউডে এটি একটি ‘কাল্ট’ ছবির মর্যাদাও পেয়েছে। তবে, বাবার ছবি নিয়ে নমশির এই ধরনের খারাপ লাগা কেন? ‘গুন্ডা’ সিবিএফসির তরফে ‘এ’ শংসাপত্র পেয়েছিল। বেশ কিছু দৃশ্য ছিল ছবিতে, যা ‘আপত্তিকর’ বলে রব উঠেছিল। ভাষার ব্যবহারের দিক থেকেও ছবিটিকে ‘অশ্লীল’ বলে দাবি করেছিলেন অনেকে। এমনকি, এই ছবি প্রেক্ষাগৃহ থেকে তুলেও নিতে হয়েছিল, বিশেষত কলেজছাত্রীদের আপত্তিতে। স্পষ্ট বলেন মিঠুন-পুত্র, “গুন্ডা একটা কুখ্যাত সিনেমা। আজকের প্রজন্ম, যারা আমার বাবার অভিনয় সম্পর্কে সে ভাবে জানে না, তাদের মনে হতে পারে, আমার বাবা কেবলমাত্র এই ধরনের ছবিতেই অভিনয় করতে সক্ষম। অনেক মানুষ এমনটা ভাবতেই পারেন। কিন্তু সেটা তো সত্যি নয়।” নমশির দাবি, “আমার ছবিটা খারাপ লেগেছিল এমন নয়। বেশ মজার! কিন্তু যদি বাবার দিকটা ভাবি, আমি বলব ওঁর এই ছবি করা উচিত হয়নি।” বাবার ভাবমূর্তি ওই ছবিতে অভিনয়ের ফলে অনেকখানি নষ্ট হয়েছে বলেই ভাবেন নমশি। ‘গুন্ডা’ ছবিতে মিঠুনের সঙ্গে ছিলেন মুকেশ, ঋষি, শক্তি কপূর, মোহন যোশী প্রমুখ। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। মিঠুন দীর্ঘ সংগ্রাম করেছেন বলিউডে। ১৯৮২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডিস্কো ডান্সার’ ছবিটি তাকে বলিউডে প্রথম সারির নায়কের মর্যাদা দেয়। তার পরও তার উপার্জন ছিল সামান্যই। বাসে চেপে শুটিংয়ে আসতেন। ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার সামর্থ্য ছিল না। মিঠুন জানান, সত্তরের দশকে তার রূপটান শিল্পীও তার তুলনায় বেশি টাকা রোজগার করতেন। নমশির জীবনে আদর্শ তার বাবাই। তার অভিনীত রোমান্টিক-কমেডি ‘ব্যাড বয়’ আগামী ২৮ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। এ ছবিতে নমশির সঙ্গে দেখা যাবে জনি লিভার, রাজপাল যাদব, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ছবি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করলেন মিঠুন পুত্র

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩

এফএনএস
বলিউডে আশির দশকে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর যশ-প্রতিষ্ঠা ছিল তুঙ্গে। নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। মিঠুনের কনিষ্ঠ পুত্র নমশিরও অভিষেক হতে চলেছে বলিউডে, রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত ‘ব্যাড বয়’ ছবিটি দিয়ে। এই ছবির প্রচারে এসে নমশি তার বাবার অভিনীত একটি ছবি নিয়ে কিছু বিরূপ মন্তব্য করেন। তার অসন্তোষ ১৯৯৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গুন্ডা’ ছবিটিতে মিঠুনের অভিনয় করা নিয়ে। তার মতে, এটি একটি ‘কুখ্যাত’ ছবি। মিঠুনের মানের অভিনেতার এই ছবিটিতে কাজ করা ঠিক হয়নি বলেই মত নমশির। যদিও, ব্যক্তিগত ভাবে ছবিটি পছন্দই করেন মিঠুন-পুত্র। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বলিউডে এটি একটি ‘কাল্ট’ ছবির মর্যাদাও পেয়েছে। তবে, বাবার ছবি নিয়ে নমশির এই ধরনের খারাপ লাগা কেন? ‘গুন্ডা’ সিবিএফসির তরফে ‘এ’ শংসাপত্র পেয়েছিল। বেশ কিছু দৃশ্য ছিল ছবিতে, যা ‘আপত্তিকর’ বলে রব উঠেছিল। ভাষার ব্যবহারের দিক থেকেও ছবিটিকে ‘অশ্লীল’ বলে দাবি করেছিলেন অনেকে। এমনকি, এই ছবি প্রেক্ষাগৃহ থেকে তুলেও নিতে হয়েছিল, বিশেষত কলেজছাত্রীদের আপত্তিতে। স্পষ্ট বলেন মিঠুন-পুত্র, “গুন্ডা একটা কুখ্যাত সিনেমা। আজকের প্রজন্ম, যারা আমার বাবার অভিনয় সম্পর্কে সে ভাবে জানে না, তাদের মনে হতে পারে, আমার বাবা কেবলমাত্র এই ধরনের ছবিতেই অভিনয় করতে সক্ষম। অনেক মানুষ এমনটা ভাবতেই পারেন। কিন্তু সেটা তো সত্যি নয়।” নমশির দাবি, “আমার ছবিটা খারাপ লেগেছিল এমন নয়। বেশ মজার! কিন্তু যদি বাবার দিকটা ভাবি, আমি বলব ওঁর এই ছবি করা উচিত হয়নি।” বাবার ভাবমূর্তি ওই ছবিতে অভিনয়ের ফলে অনেকখানি নষ্ট হয়েছে বলেই ভাবেন নমশি। ‘গুন্ডা’ ছবিতে মিঠুনের সঙ্গে ছিলেন মুকেশ, ঋষি, শক্তি কপূর, মোহন যোশী প্রমুখ। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। মিঠুন দীর্ঘ সংগ্রাম করেছেন বলিউডে। ১৯৮২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ডিস্কো ডান্সার’ ছবিটি তাকে বলিউডে প্রথম সারির নায়কের মর্যাদা দেয়। তার পরও তার উপার্জন ছিল সামান্যই। বাসে চেপে শুটিংয়ে আসতেন। ব্যক্তিগত গাড়ি কেনার সামর্থ্য ছিল না। মিঠুন জানান, সত্তরের দশকে তার রূপটান শিল্পীও তার তুলনায় বেশি টাকা রোজগার করতেন। নমশির জীবনে আদর্শ তার বাবাই। তার অভিনীত রোমান্টিক-কমেডি ‘ব্যাড বয়’ আগামী ২৮ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। এ ছবিতে নমশির সঙ্গে দেখা যাবে জনি লিভার, রাজপাল যাদব, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে।