ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাবনায় মাদ্রাসা ছাত্র অপহরণ, ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

জুবায়ের খান প্রিন্স, পাবনা
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫ ১৬০ বার পড়া হয়েছে

পাবনায় ফিল্মের কায়দায় অপহরণ করে ১৫লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে মাদ্রাসার  এক ছাত্রকে অপহরণ করে একই মাদ্রাসার আরেক ছাত্র। পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এই ছাত্রকে ।

বুধবার (২০ আগষ্ট) সকালে পাবনা শহরের জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসার মক্তব বিভাগের আবাসিক ছাত্র লামিম আহমেদ ফয়সালকে কৌশলে অপহরণ করে হাফেজ বিভাগে পড়ুয়া আরেক শিক্ষার্থী হোসাইন আলী।

তিন দিন আগে অসুস্থতার কথা বলে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরে হোসাইন । পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবহার করেন মাদ্রাসার আরেক ছাত্রের কাছ থেকে নেওয়া সিমকার্ড।

অপহরণের পর ফয়সালকে নিয়ে যাওয়া হয় আতাইকুলার আরেক বন্ধুর বাড়িতে। কিছুক্ষণ পরেই ভিকটিমের বাবার কাছে ১৫লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারী। বিষয়টি ফয়সালের বাবা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেন।

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‍্যাব-১২ এর একটি চৌকস টিম পাবনা শহরের পুরাতন বাস টার্মিনাল এলাকার তেলপাম্প সংলগ্ন স্থান থেকে ফয়সালকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে এবং অপহরণকারী হোসাইন আলীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত হোসাইন আলী পাবনা সদর উপজেলার ধর্মগ্রাম গ্রামের আতিকুর রহমানের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে টাকার লোভেই এ অপহরণের পরিকল্পনা করেছে।

এদিকে অভিযুক্তের পরিবার ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ঘটনার দায় এড়াতে এবং ধামাচাপা দিতে ব্যস্ত থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাবনায় মাদ্রাসা ছাত্র অপহরণ, ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি

আপডেট সময় : ০৯:৫৭:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

পাবনায় ফিল্মের কায়দায় অপহরণ করে ১৫লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে মাদ্রাসার  এক ছাত্রকে অপহরণ করে একই মাদ্রাসার আরেক ছাত্র। পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এই ছাত্রকে ।

বুধবার (২০ আগষ্ট) সকালে পাবনা শহরের জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসার মক্তব বিভাগের আবাসিক ছাত্র লামিম আহমেদ ফয়সালকে কৌশলে অপহরণ করে হাফেজ বিভাগে পড়ুয়া আরেক শিক্ষার্থী হোসাইন আলী।

তিন দিন আগে অসুস্থতার কথা বলে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফেরে হোসাইন । পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবহার করেন মাদ্রাসার আরেক ছাত্রের কাছ থেকে নেওয়া সিমকার্ড।

অপহরণের পর ফয়সালকে নিয়ে যাওয়া হয় আতাইকুলার আরেক বন্ধুর বাড়িতে। কিছুক্ষণ পরেই ভিকটিমের বাবার কাছে ১৫লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন অপহরণকারী। বিষয়টি ফয়সালের বাবা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করেন।

পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‍্যাব-১২ এর একটি চৌকস টিম পাবনা শহরের পুরাতন বাস টার্মিনাল এলাকার তেলপাম্প সংলগ্ন স্থান থেকে ফয়সালকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে এবং অপহরণকারী হোসাইন আলীকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত হোসাইন আলী পাবনা সদর উপজেলার ধর্মগ্রাম গ্রামের আতিকুর রহমানের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে টাকার লোভেই এ অপহরণের পরিকল্পনা করেছে।

এদিকে অভিযুক্তের পরিবার ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ঘটনার দায় এড়াতে এবং ধামাচাপা দিতে ব্যস্ত থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।