ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল ঈশ্বরদীতে সারের ডিলার বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন,তদন্তের দাবী ঈশ্বরদীতে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু কাঁঠালিয়ায় ১০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস দুর্গাপূজায় যশোর জেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের পর্যবেক্ষণ কমিটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হচ্ছে: গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের দামুড়হুদায় জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত দিনাজপুরের বীরগঞ্জে বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে পুকুর খনন রাজশাহী মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ তাজমিন হত্যা: কথিত প্রেমিক রাজুকে কুমিল্লা পুলিশের কাছে হস্তান্তর

ইরানে আইনে ড্রেস কোড লঙ্ঘনে নারীদের পেতে হবে কঠোর শাস্তি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৪২ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
নারীরা ইসলামিক পোশাকের নির্দিষ্ট বিধান না মানলে পেতে হবে কঠোর শাস্তি। গতকাল বুধবার এমন আইন পাস করেছেন ইরানের আইন প্রনণেতারা। এই শাস্তির মেয়াদ হতে পারে সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত। খবর এএফপির। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, সংসদ তিন বছরের ট্রায়াল সময়ের জন্য ‘হিজাব ও সতীত্বের সংস্কৃতির জন্য সমর্থন’ বিল অনুমোদন করেছে। নতুন পাস হওয়া খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ‘বিদেশি বা শত্রু সরকার, মিডিয়া, গোষ্ঠী বা সংস্থার সহযোগিতায়’ হেডস্কার্ফ বা উপযুক্ত পোশাক পরতে ব্যর্থ হলে নারীদের পাঁচ থেকে দশ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে। বিলটির এখনও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অনুমোদনের অপেক্ষায়। ইরানের নারীরা গত বছরের গণবিক্ষোভের পর থেকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কঠোর ড্রেস কোড ক্রমবর্ধমানভাবে লঙ্ঘন করছে। তারা মাথা না ঢেকে এবং শালীন পোশাক না পরেই চলাফেরা করছে। ২২ বছর বয়সী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পরে এই বিক্ষোভ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। আমিনিকে ড্রেস কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বিক্ষোভে কয়েক ডজন নিরাপত্তা কর্মীসহ শত শত লোক নিহত হয়েছে এবং কর্মকর্তারা এটিকে বিদেশি প্ররোচিত ‘দাঙ্গা’ বলে আখ্যা দিয়ে হাজার হাজার লোককে গ্রেপ্তার করেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রজাতন্ত্রের প্রথম বছর থেকে ইরানে মহিলাদের জন্য মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ টহল সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পোশাক কোড লঙ্ঘনকারী নারী এবং ব্যবসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার করেছে। কিছু কিছু ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং লঙ্ঘনকারীদের সনাক্তের জন্য পাবলিক প্লেসগুলোতে নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইরানে আইনে ড্রেস কোড লঙ্ঘনে নারীদের পেতে হবে কঠোর শাস্তি

আপডেট সময় : ০৩:২৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এফএনএস
নারীরা ইসলামিক পোশাকের নির্দিষ্ট বিধান না মানলে পেতে হবে কঠোর শাস্তি। গতকাল বুধবার এমন আইন পাস করেছেন ইরানের আইন প্রনণেতারা। এই শাস্তির মেয়াদ হতে পারে সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত। খবর এএফপির। দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, সংসদ তিন বছরের ট্রায়াল সময়ের জন্য ‘হিজাব ও সতীত্বের সংস্কৃতির জন্য সমর্থন’ বিল অনুমোদন করেছে। নতুন পাস হওয়া খসড়া আইনে বলা হয়েছে, ‘বিদেশি বা শত্রু সরকার, মিডিয়া, গোষ্ঠী বা সংস্থার সহযোগিতায়’ হেডস্কার্ফ বা উপযুক্ত পোশাক পরতে ব্যর্থ হলে নারীদের পাঁচ থেকে দশ বছরের কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হবে। বিলটির এখনও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের অনুমোদনের অপেক্ষায়। ইরানের নারীরা গত বছরের গণবিক্ষোভের পর থেকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কঠোর ড্রেস কোড ক্রমবর্ধমানভাবে লঙ্ঘন করছে। তারা মাথা না ঢেকে এবং শালীন পোশাক না পরেই চলাফেরা করছে। ২২ বছর বয়সী মাহসা আমিনির মৃত্যুর পরে এই বিক্ষোভ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। আমিনিকে ড্রেস কোড লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বিক্ষোভে কয়েক ডজন নিরাপত্তা কর্মীসহ শত শত লোক নিহত হয়েছে এবং কর্মকর্তারা এটিকে বিদেশি প্ররোচিত ‘দাঙ্গা’ বলে আখ্যা দিয়ে হাজার হাজার লোককে গ্রেপ্তার করেছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রজাতন্ত্রের প্রথম বছর থেকে ইরানে মহিলাদের জন্য মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখা বাধ্যতামূলক। কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ টহল সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পোশাক কোড লঙ্ঘনকারী নারী এবং ব্যবসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জোরদার করেছে। কিছু কিছু ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং লঙ্ঘনকারীদের সনাক্তের জন্য পাবলিক প্লেসগুলোতে নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।