ঈশ্বরদীতে জামায়াত কর্মীর বাড়িতে ওলামা লীগের হামলা
- আপডেট সময় : ০৪:৫৭:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ মার্চ ২০২৫ ২৩৩ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদীতে জামায়াত কর্মীর বাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে ওলামালীগ নেতা বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৮ মার্চ) দিবাগত রাত পৌঁনে ৯ টার দিকে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের চরমিরকামারী মাথাল পাড়া গ্রামের ওসমান গণি সোনা সরদারের বাড়িতে বিস্ফোরনের এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত আব্দুল জলিল ঈশ্বরদী উপজেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা কাজী সমিতির সভাপতি ছিলেন। তিনি ঐ এলাকার মৃত নঈম উদ্দিন প্রামানিকের ছোট ছেলে ও মিরকামারী আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন টেনডেন্ট।
বাড়ির মালিক ওসমান গণি সোনা সরদার জানান, ঘটনার সময় আমি পার্শ্ববর্তী বাজার থেকে বাড়িতে প্রবেশের আগ মূহূর্তে আমার বাড়ির দিকে বিকট শব্দ শুনতে পাই। শব্দ শুনে দৌঁড়ে বাড়িতে আসতে আসতে ৪/৫ টি ককটেল বিস্ফেরণের শব্দ শুনতে পায়। এসে দেখি আমার বাড়ির টিনের বেড়া কেটে ও ককটেল ফাটিয়ে কাজী আব্দুল জলিল তার ভাই ছবির উদ্দীনসহ ১০/১২ জনের একটি দল আমার উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
সোনার বউ বলেন, কাজী আব্দুল জলিল তার ভাই ছবির উদ্দিনসহ কয়েকজন এসে আমার বাড়ির টিনের বেড়া কেটে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। এসময় তারা ৪/৫ টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। ককটেলের বিকট শব্দ এবং আমার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসলে তারা স্বদলবলে লিচু বাগানের মধ্য দিয়ে পালিয়ে যায়।
সলিমপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান হাফিজ খান বলেন, ককটেল বিস্ফোরনের ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী তৎক্ষনাৎ এই হামলার বিচার দাবি করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে। থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমরা এই হামলার সঠিক বিচার চাই।
ককটেল বিস্ফেরণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঈশ্বরদী থানা পুলিশ সদস্যরা। জানতে চাইলে ঈশ্বরদী থানার এসআই মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের জানান, ভিকটিমের বাড়ীতে হামলা হয়েছে। হামলাকারীরা সোনা সরদারের বাড়ির বেড়া কেটে ফেলেছে। ককটেল বিস্ফোরনের তেমন আলামত ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।




















