ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ নওগাঁর মান্দায় সড়ক উন্নয়ন কাজে বাধা’ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সমাধান সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ’ রাস্তাবিহীন মানবেতর জীবনযাপন ঈশ্বরদীতে মুলাডুলি প্রিমিয়ার লীগ সিজন-৩ এর খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার- ১ ঈশ্বরদীতে অপপ্রচারের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরদীতে শতাধিক মৌচাষীর অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের আপসহীন কণ্ঠস্বর খোন্দকার দেলোয়ার: স্বাধীনতা পদকই হোক যোগ্য সম্মান” দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াতে ঈশ্বরদীতে ‘তারবিয়াতুল উম্মাহ্ নূরানী মাদরাসা উদ্বোধন হাড় ভাঙার শব্দ শোনার অপেক্ষায় তৃণমূল; অলিদ বিন সিদ্দিকের সমালোচনার ইতি টানার ঘোষণা

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে বাড়ছে চুরি

পাবনা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০২৪ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলা কমপ্লেক্সে শুক্রবার (০৪ অক্টোবর) হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে চিকিৎসা নিতে যান গণমাধ্যমকর্মী সুমাইয়া সুলতানা হ্যাপী (৩৪)। চিকিৎসার জন্য তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের তিন তলার ৩০৬ নং কেবিনে রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম শামীম।

এরপরই ঘটে তার সাথে এক অদ্ভূত ঘটনা। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে অসুস্থ্য শরীর নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে যান হ্যাপী। ঘুমানোর সময় তার কাছে ছিল দুইটা স্মার্ট ফোন ও ২৭,৬৩০/- টাকা। পরের দিন শনিবার (৫ই অক্টোবর) সকাল ১০ঘটিকায় ঘুম ভেঙ্গে বাড়িতে ফোনে কথা বলে আবার ঘুমিয়ে যাই। পরে ডাক্তার রাউন্ডে আসলে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলেন এবং ঘুম ভেঙ্গে দেখেন তার কাছে থাকা দুইটা স্মার্ট ফোন ও টাকা কিছুই নাই, বুঝতে আর বাকী রইলো না তার মোবাইলসহ টাকা চুরী হয়ে গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও তারা এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেননি বা চোরদের খুঁজে বের করা হবে বলে কোন আশ্বাস ও দেননি জানান ভূক্তভোগী সুমাইয়া সুলতানা হ্যাপী।

তিনি আরো জানান হাসপাতাল থেকে মোবাইল ও টাকা চুরি হয়ে যায় যখন নিরাপত্তার অভাবে, আমি যে এখানে চিকিৎসা নিতে এসে বেঁচে থাকবো এরই বা কি গ্যারান্টি আছে? তাই হাসপাতাল থেকে চলে এসে আমি অন্য জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছি এবং আমি সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করবো।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চুরি যেন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালে রোগীর দুঃসংবাদের খবরে স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারি হওয়ার বদলে প্রায়ই কান্নার রোল পড়ে চুরির ঘটনায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম শামীম বলেন, হাসপাতালে চুরির বিষয়টা খুবই দুঃখজনক। মাঝে মধ্যেই শোনা যায় হাসপাতাল থেকে মোবাইল, টাকা, ভ্যানিটি ব্যাগ চুরি ও পকেট মার এর ঘটনা। ওয়ার্ডগুলো আমাদের সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকে, কিন্তু কেবিনে সিসি ক্যামেরা নাই তাই চোরকে সনাক্ত করা খুবই কঠিন। মেয়েটি অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় চিকিৎসা নেয়াকালে হয়তো কোন আত্নীয় স্বজন ছিলনা তার পাশে, ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় হয়তো চোর সেই সুযোগে তার মোবাইলসহ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। কঠোর নজদারিতে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

ঈশ্বরদী থানার ওসি (তদন্ত) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, মোবাইল চুরির বিষয়ে থানায় সাধারন ডায়েরী করেছে সুমাইয়া সুলতানা। মোবাইলটি চুরির পর এখনো চালু হয়নি। মোবাইল উদ্ধার বিষয়টি চলমান রয়েছে ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে বাড়ছে চুরি

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ অক্টোবর ২০২৪

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলা কমপ্লেক্সে শুক্রবার (০৪ অক্টোবর) হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ্য হয়ে চিকিৎসা নিতে যান গণমাধ্যমকর্মী সুমাইয়া সুলতানা হ্যাপী (৩৪)। চিকিৎসার জন্য তাকে ঈশ্বরদী উপজেলা কমপ্লেক্সের নতুন ভবনের তিন তলার ৩০৬ নং কেবিনে রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম শামীম।

এরপরই ঘটে তার সাথে এক অদ্ভূত ঘটনা। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে অসুস্থ্য শরীর নিয়ে রাতে ঘুমিয়ে যান হ্যাপী। ঘুমানোর সময় তার কাছে ছিল দুইটা স্মার্ট ফোন ও ২৭,৬৩০/- টাকা। পরের দিন শনিবার (৫ই অক্টোবর) সকাল ১০ঘটিকায় ঘুম ভেঙ্গে বাড়িতে ফোনে কথা বলে আবার ঘুমিয়ে যাই। পরে ডাক্তার রাউন্ডে আসলে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলেন এবং ঘুম ভেঙ্গে দেখেন তার কাছে থাকা দুইটা স্মার্ট ফোন ও টাকা কিছুই নাই, বুঝতে আর বাকী রইলো না তার মোবাইলসহ টাকা চুরী হয়ে গেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হলেও তারা এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেননি বা চোরদের খুঁজে বের করা হবে বলে কোন আশ্বাস ও দেননি জানান ভূক্তভোগী সুমাইয়া সুলতানা হ্যাপী।

তিনি আরো জানান হাসপাতাল থেকে মোবাইল ও টাকা চুরি হয়ে যায় যখন নিরাপত্তার অভাবে, আমি যে এখানে চিকিৎসা নিতে এসে বেঁচে থাকবো এরই বা কি গ্যারান্টি আছে? তাই হাসপাতাল থেকে চলে এসে আমি অন্য জায়গায় চিকিৎসা নিচ্ছি এবং আমি সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করবো।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চুরি যেন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালে রোগীর দুঃসংবাদের খবরে স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারি হওয়ার বদলে প্রায়ই কান্নার রোল পড়ে চুরির ঘটনায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম শামীম বলেন, হাসপাতালে চুরির বিষয়টা খুবই দুঃখজনক। মাঝে মধ্যেই শোনা যায় হাসপাতাল থেকে মোবাইল, টাকা, ভ্যানিটি ব্যাগ চুরি ও পকেট মার এর ঘটনা। ওয়ার্ডগুলো আমাদের সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকে, কিন্তু কেবিনে সিসি ক্যামেরা নাই তাই চোরকে সনাক্ত করা খুবই কঠিন। মেয়েটি অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় চিকিৎসা নেয়াকালে হয়তো কোন আত্নীয় স্বজন ছিলনা তার পাশে, ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় হয়তো চোর সেই সুযোগে তার মোবাইলসহ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। কঠোর নজদারিতে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

ঈশ্বরদী থানার ওসি (তদন্ত) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, মোবাইল চুরির বিষয়ে থানায় সাধারন ডায়েরী করেছে সুমাইয়া সুলতানা। মোবাইলটি চুরির পর এখনো চালু হয়নি। মোবাইল উদ্ধার বিষয়টি চলমান রয়েছে ।