ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নেত্রকোণা জেলা পুলিশের তৎপরতায় মানবকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধির হারানো মোবাইল উদ্ধার মদনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু অপরাধের গ্রাফ বিগত যেকোন সময়ের চেয়ে নিম্নমুখী; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েন রুটিন দায়িত্ব- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাটগ্রামে চারটি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামি গ্রেফতার চান্দিনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৫ নেতা-কর্মী গ্রেফতার গাইবান্ধায় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে ঘিরে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ, আপত্তিকর অবস্থায় আটকের দাবি; এলাকায় চাঞ্চল্য আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে যশোরে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখল ​কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শনে ডিসি, দিলেন একগুচ্ছ নির্দেশনা নবীনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত, আধুনিক কৃষির প্রসারে নতুন দিগন্ত

চীনের নতুন মানচিত্র প্রত্যাখ্যান করল জাপান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

সম্প্রতি তথাকথিত স্ট্যান্ডার্ড মানচিত্র হিসেবে চীন নতুন একটি মানচিত্র প্রকাশ করার পর থেকেই রীতিমতো সমালোচনার শিকার হচ্ছে। বেশ কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যেই এ মানচিত্র প্রত্যাখ্যান করেছে। এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো জাপানের নাম। জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাতসুনো হিরোকাজু বলেন, নতুন মানচিত্রে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করেছে চীন। তবে ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে এ দ্বীপপুঞ্জের আসল মালিক চীন নয়, জাপান। জাপান কূটনৈতিকভাবে চীনের কাছে এ মানচিত্রের ব্যাপারে জবাবদিহিতার দাবি জানায় এবং মানচিত্রটি প্রত্যাখ্যান করে। অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জাপান সরকারের এ প্রতিবাদকে প্রত্যাখ্যান করেন। চীন ও তাইওয়ানের সঙ্গে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে জাপানের বিরোধিতা থাকলেও এখন পর্যন্ত এ দ্বীপপুঞ্জ জাপানের দখলেই রয়েছে। ভারত ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম এবং তাইওয়ানও চীনের এ মানচিত্র প্রত্যাখ্যান করেছে। তাইওয়ান সরকার এ ব্যাপারে বলেন, একটি মানচিত্র কখনোই তাদের অস্তিত্বকে পরিবর্তন করতে পারবে না। অন্যদিকে নেপাল সরকার চীনকে তাদের পুরাতন মানচিত্রের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। গত ৩১ আগস্ট, ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি বলেন, চীনের নতুন মানচিত্রের আঞ্চলিক রেখা অঙ্কন ১৯৮২ সালের সাগর আইন সম্পর্কিত জাতিসংঘের কনভেনশনের নিয়ম মেনে করা হয়নি। গত ২৮ আগস্ট চীন এই স্ট্যান্ডার্ড মানচিত্র প্রকাশিত করে। এ মানচিত্রে দক্ষিণ চীন সাগরের একটি বৃহত্তর অংশের ওপর চীনা মালিকানা দেখানো হয়। ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনাই দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর তাদের মালিকানারা দাবি করেছে। ভারতের অরুণাচল প্রদেশকেও চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে এই মানচিত্রে। ভারত চীনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, তাদের ভূখণ্ডের ওপর চীনের দাবি জানানোর কোন অধিকার নেই। এ ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বরাবরই চীন অন্য দেশের সীমানার ওপর নিজেদের মালিকানা জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছে, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু এতে করে সীমানা সমস্যা আরও বাড়বে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর চীনের অযৌক্তিক দাবিগুলোকে প্রত্যাখ্যান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চীনের নতুন মানচিত্র প্রত্যাখ্যান করল জাপান

আপডেট সময় : ০২:১৬:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এফএনএস

সম্প্রতি তথাকথিত স্ট্যান্ডার্ড মানচিত্র হিসেবে চীন নতুন একটি মানচিত্র প্রকাশ করার পর থেকেই রীতিমতো সমালোচনার শিকার হচ্ছে। বেশ কয়েকটি দেশ ইতিমধ্যেই এ মানচিত্র প্রত্যাখ্যান করেছে। এ তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো জাপানের নাম। জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাতসুনো হিরোকাজু বলেন, নতুন মানচিত্রে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা দাবি করেছে চীন। তবে ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে এ দ্বীপপুঞ্জের আসল মালিক চীন নয়, জাপান। জাপান কূটনৈতিকভাবে চীনের কাছে এ মানচিত্রের ব্যাপারে জবাবদিহিতার দাবি জানায় এবং মানচিত্রটি প্রত্যাখ্যান করে। অন্যদিকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জাপান সরকারের এ প্রতিবাদকে প্রত্যাখ্যান করেন। চীন ও তাইওয়ানের সঙ্গে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে জাপানের বিরোধিতা থাকলেও এখন পর্যন্ত এ দ্বীপপুঞ্জ জাপানের দখলেই রয়েছে। ভারত ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম এবং তাইওয়ানও চীনের এ মানচিত্র প্রত্যাখ্যান করেছে। তাইওয়ান সরকার এ ব্যাপারে বলেন, একটি মানচিত্র কখনোই তাদের অস্তিত্বকে পরিবর্তন করতে পারবে না। অন্যদিকে নেপাল সরকার চীনকে তাদের পুরাতন মানচিত্রের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। গত ৩১ আগস্ট, ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদি বলেন, চীনের নতুন মানচিত্রের আঞ্চলিক রেখা অঙ্কন ১৯৮২ সালের সাগর আইন সম্পর্কিত জাতিসংঘের কনভেনশনের নিয়ম মেনে করা হয়নি। গত ২৮ আগস্ট চীন এই স্ট্যান্ডার্ড মানচিত্র প্রকাশিত করে। এ মানচিত্রে দক্ষিণ চীন সাগরের একটি বৃহত্তর অংশের ওপর চীনা মালিকানা দেখানো হয়। ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনাই দক্ষিণ চীন সাগরের ওপর তাদের মালিকানারা দাবি করেছে। ভারতের অরুণাচল প্রদেশকেও চীনের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে এই মানচিত্রে। ভারত চীনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, তাদের ভূখণ্ডের ওপর চীনের দাবি জানানোর কোন অধিকার নেই। এ ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, বরাবরই চীন অন্য দেশের সীমানার ওপর নিজেদের মালিকানা জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছে, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু এতে করে সীমানা সমস্যা আরও বাড়বে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর চীনের অযৌক্তিক দাবিগুলোকে প্রত্যাখ্যান করেন।