জলঢাকায় নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে মহান মে দিবস পালিত।
- আপডেট সময় : ০৫:৩৩:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০২৪ ২৯৮ বার পড়া হয়েছে
নীলফামারি জেলার জলঢাকা উপজেলায় দিন ভর নানা কর্মসূচীর পালনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস তথা মে দিবস পালিত হয়েছে।
দিবসের সকালে স্থানীয় বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়ন জলঢাকার উপ-কমিটির সভাপতি আব্দুল মজিদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ এর নেতৃত্বে বাসষ্টান্ড চত্বরে জাতীয় পতাকা ও শ্রমিক সংগঠনের পতাকা উত্তোলন এবং কালো পতাকা অর্ধনমিত রেখে একটি বর্নাঢ্য র্যালী বের হয়ে পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে সকল শহীদ শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও শপথ ব্যাক্য পাঠ করা হয়।
পরে বাসষ্টান্ড চত্বরে গিয়ে আলোচনা সভায় মিলিত হন সকল শ্রমিক ও নেতাকর্মীরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন জলঢাকা পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র নাসিব সাদিক হোসেন নোভা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোকলেছুর রহমান সঞ্জু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার হোসেন সাদের, ট্রাক ট্যাংলড়ী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর রহমান, সহ সভাপতি সালাউদ্দিন কাদের, মটর শ্রমিক ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ মোক্তার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা সোহরাব হোসেন, শাহাদৎ হোসেন সাজু, কার-মাইক্রো শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি তহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভা শেষে মসজিদে সকল শহীদের উদ্দেশ্যে যোহরের নামাজ বাদ মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অপর দিকে লেবার শ্রমিক ইউনিয়ন, ট্রাক শ্রমিক, মাইক্রো শ্রমিক, ড্রাইভার সমিতি,ছ-মিল শ্রমিক, কাঠমিস্ত্রী শ্রমিক, হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিক সহ বিভিন্ন শ্রমজীবী সংগঠন, ট্রেড ইউনিয়ন, শ্রমিকদের ঐক্য পরিষদ,সংগ্রাম পরিষদ, বাসস্ট্যান্ড জুনিয়র পাঞ্জেরী সংঘ দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালন করেছে।
উল্লেখ্য, ১৩৮ বছর আগে ১৮৮৬ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে শ্রমিকেরা কাজের সময় সীমা আট ঘণ্টা নির্ধারণ, কাজের উন্নত পরিবেশ, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মঘট আহ্বান করেন। দাবি আদায়ের জন্য বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা সেদিন পথে নেমে এসেছিলেন।
অত্যন্ত বর্বর কায়দায় দমন করা হয়েছিল সেই শ্রমিক বিক্ষোভ। পুলিশের গুলিতে জীবন উৎসর্গ করেছিলেন শ্রমিকেরা। সারা বিশ্ব সোচ্চার হয়ে উঠেছিল সেই ঘটনায়। শিকাগোর শ্রমিকদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শ্রমজীবী মানুষের অধিকার।














