ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সমন্বয় কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে ৫৫ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কালীগঞ্জের শিশু তাবাসসুম ধর্ষন ও হত্যা মামলা আসামীর ফাঁসির আদেশ ও পাঁচ লাখ টাকার জরিমানা এ্যাড ভিশন বাংলাদেশ’র বিশ্ব পরিবেশ দিবসের আলোচনা ও সম্মাননা প্রদান সম্পন্ন নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুরে পানিতে মিলল ছোট্ট শিশু সেঁজুতির লাশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ জামালগঞ্জে কারিতাস বাংলাদেশের উদ্যোগে উন্নয়ন সহযোগীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ আসন্ন আটগাঁও ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন আলী আমজাদ তালুকদার মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ঝিনাই নদীতে ৩০০ মিটার চায়না জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ভস্মীভূত মাদকমুক্ত ফুলবাড়ী গড়তে ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস ছালাম (সুজা)-এর পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা

পরমাণু অস্ত্র তৈরি পশ্চিমারা আটকাতে পারবে না : খামেনি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩ ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

তেহরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চায়, তাহলে পশ্চিমারা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে আটকাতে পারবে না। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গতকাল রোববার  এ কথা বলেছেন। দেশটির উন্নত পারমাণবিক কার্যকলাপ নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে তিনি এ মন্তব্য করলেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম অনুসারে, খামেনি বলেছেন, ‘তেহরানের পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে কথাবার্তা মিথ্যা এবং তারা (পশ্চিম) এটা জানে। আমরা আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে পারমাণবিক অস্ত্র চাই না। অন্যথায় তারা এটি বন্ধ করতে পারত না।’ কয়েক বছর ধরে ইরানের সরকারি অবস্থানের প্রতিধ্বনি করে খামেনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনোই পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চায়নি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খামেনিকে উদ্ধৃত করে বলেছে, তেহরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কাজের বিষয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব, যদি দেশের পারমাণবিক অবকাঠামো অক্ষত থাকে। খামেনি বলেছেন, ‘চুক্তিতে (পশ্চিমের সঙ্গে) কোনো ভুল নেই, তবে আমাদের পারমাণবিক শিল্পের অবকাঠামোকে স্পর্শ করা উচিত হবে না।’ সুরক্ষা কাঠামোর অধীনে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার সঙ্গে তেহরানের কাজ চালিয়ে যাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে ছয়টি বড় শক্তির সঙ্গে ইরানের ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা সেপ্টেম্বর থেকে অচলাবস্থায় রয়েছে। উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক দাবি করার অভিযোগ এনেছে। ২০১৮ তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটি বাতিল করেন। তার প্রতিক্রিয়ায় ২০১৯ সাল থেকে ইরান চুক্তির শর্তাবলি লঙ্ঘন শুরু করে। ২০১৫ সালের চুক্তিটি ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যকলাপকে সীমিত করেছিল, যাতে তেহরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে চুক্তিটি হয়েছিল। তবে ইরান পরমাণু অস্ত্র অর্জনের কথা অস্বীকার করেছে। সূত্র : রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পরমাণু অস্ত্র তৈরি পশ্চিমারা আটকাতে পারবে না : খামেনি

আপডেট সময় : ১০:৫২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩

এফএনএস

তেহরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যেতে চায়, তাহলে পশ্চিমারা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে আটকাতে পারবে না। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গতকাল রোববার  এ কথা বলেছেন। দেশটির উন্নত পারমাণবিক কার্যকলাপ নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে তিনি এ মন্তব্য করলেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম অনুসারে, খামেনি বলেছেন, ‘তেহরানের পারমাণবিক অস্ত্র সম্পর্কে কথাবার্তা মিথ্যা এবং তারা (পশ্চিম) এটা জানে। আমরা আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিত্তিতে পারমাণবিক অস্ত্র চাই না। অন্যথায় তারা এটি বন্ধ করতে পারত না।’ কয়েক বছর ধরে ইরানের সরকারি অবস্থানের প্রতিধ্বনি করে খামেনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র কখনোই পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে চায়নি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম খামেনিকে উদ্ধৃত করে বলেছে, তেহরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কাজের বিষয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব, যদি দেশের পারমাণবিক অবকাঠামো অক্ষত থাকে। খামেনি বলেছেন, ‘চুক্তিতে (পশ্চিমের সঙ্গে) কোনো ভুল নেই, তবে আমাদের পারমাণবিক শিল্পের অবকাঠামোকে স্পর্শ করা উচিত হবে না।’ সুরক্ষা কাঠামোর অধীনে জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার সঙ্গে তেহরানের কাজ চালিয়ে যাওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে ছয়টি বড় শক্তির সঙ্গে ইরানের ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা সেপ্টেম্বর থেকে অচলাবস্থায় রয়েছে। উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক দাবি করার অভিযোগ এনেছে। ২০১৮ তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তিটি বাতিল করেন। তার প্রতিক্রিয়ায় ২০১৯ সাল থেকে ইরান চুক্তির শর্তাবলি লঙ্ঘন শুরু করে। ২০১৫ সালের চুক্তিটি ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যকলাপকে সীমিত করেছিল, যাতে তেহরানের জন্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিনিময়ে চুক্তিটি হয়েছিল। তবে ইরান পরমাণু অস্ত্র অর্জনের কথা অস্বীকার করেছে। সূত্র : রয়টার্স