ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ নওগাঁর মান্দায় সড়ক উন্নয়ন কাজে বাধা’ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সমাধান সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ’ রাস্তাবিহীন মানবেতর জীবনযাপন ঈশ্বরদীতে মুলাডুলি প্রিমিয়ার লীগ সিজন-৩ এর খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার- ১ ঈশ্বরদীতে অপপ্রচারের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরদীতে শতাধিক মৌচাষীর অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের আপসহীন কণ্ঠস্বর খোন্দকার দেলোয়ার: স্বাধীনতা পদকই হোক যোগ্য সম্মান” দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াতে ঈশ্বরদীতে ‘তারবিয়াতুল উম্মাহ্ নূরানী মাদরাসা উদ্বোধন হাড় ভাঙার শব্দ শোনার অপেক্ষায় তৃণমূল; অলিদ বিন সিদ্দিকের সমালোচনার ইতি টানার ঘোষণা

পাবনা সাঁথিয়া উপকর সহকারি কমিশনের কার্যালয়ের অফিস সহকারি ও পিয়নের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ।

সেলিম মোর্শেদ রানা, পাবনা প্রতিনিধি :-
  • আপডেট সময় : ০১:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

সাঁথিয়া উপকর সহকারি কমিশনের কার্যালয় সার্কেল-১০ এর অফিস সহকারি মোহাম্মদ আলী ও পিয়ন আবু হানিফের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে । অভিযোগসূত্রে জানা যায় সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা পরি স্টোরের মালিক তার বাড়ির ভবন করায় ভয়-ভীতি দেখিয়ে এক লক্ষ টাকা উৎকোচ নিয়েছে, তা ছাড়া আতাইকুলার মানিক ঘোষ নামে আরো এক ব্যক্তির কাছ থেকে ট্যাক্স কমিয়ে দেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে বলে জানা যায়। সাঁথিয়া পলাশ জুয়েলার্স, প্রোপাইটার চন্দন কুমার কর্মকারের কাছ থেকে ৫৫০০০/ ইনকাম ট্যাক্স কমিয়ে দেওয়ার জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায় , বিষয়টি এলাকায় লোকমুখে জানাজানি হলে ২০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে।

এদিকে ক্ষেতু পাড়া ইউনিয়নের হেলাল উদ্দিন বলেন বিগত কয়েক মাস আগে টিন সার্টিফিকেট খোলার জন্য ৩০হাজার টাকা দিয়েছি,এখন পর্যন্ত আমার কাজ করে নাই, টাকা ফেরত চেয়ে মাসের পড় মাস ঘুরছি।

এদিকে নাম না বলার শর্তে এলাকার বেশ কিছু ব্যবসায়ী সাঁথিয়া উপ কর কমিশন কার্যালয়ের অফিস সহকারী মোহাম্মদ আলী ও পিয়ন আবু হানিফ নিয়মিত অফিস করেন না, তাছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ, চাঁদাবাজি দূর্নীতিসহ নানান অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। স্থানীয়রা আরও বলেন, এখন সময় এসেছে এরকম ঘুষখোর এবং দুর্নীতিবাজ দুজন কর্মচারীকে সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

অফিস সহকারি মোহাম্মদ আলী ও আবু হানিফ মুঠোফোনে দু একটি অভিযোগ স্বীকার করলেও তাদের আতœীয় পাবনার বড় মাপের দুইজনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। বেশি ফোনে কথা বলতে নারাজ সাক্ষাতে কথা বলে বিষয়টি দেখবে বলে জানান।

বিষয়টি সাঁথিয়া উপ কর সহকারি কমিশনার শরীফ মিয়ার কাছে অফিস স্টাফ মোহাম্মদ আলী, হানিফের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে বলেন আমি নতুন জয়েন্ট করেছি, তবে জয়েন্ট করার পর থেকেই দু একটা অভিযোগ পেয়েছি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় কর কমিশনার বজলুর রহমান মুঠো ফোনে বলেন অভিযোগ পাই নাই, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাবনা সাঁথিয়া উপকর সহকারি কমিশনের কার্যালয়ের অফিস সহকারি ও পিয়নের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ।

আপডেট সময় : ০১:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪

সাঁথিয়া উপকর সহকারি কমিশনের কার্যালয় সার্কেল-১০ এর অফিস সহকারি মোহাম্মদ আলী ও পিয়ন আবু হানিফের বিরুদ্ধে নানান অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে । অভিযোগসূত্রে জানা যায় সাঁথিয়া উপজেলার আতাইকুলা পরি স্টোরের মালিক তার বাড়ির ভবন করায় ভয়-ভীতি দেখিয়ে এক লক্ষ টাকা উৎকোচ নিয়েছে, তা ছাড়া আতাইকুলার মানিক ঘোষ নামে আরো এক ব্যক্তির কাছ থেকে ট্যাক্স কমিয়ে দেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে বলে জানা যায়। সাঁথিয়া পলাশ জুয়েলার্স, প্রোপাইটার চন্দন কুমার কর্মকারের কাছ থেকে ৫৫০০০/ ইনকাম ট্যাক্স কমিয়ে দেওয়ার জন্য ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায় , বিষয়টি এলাকায় লোকমুখে জানাজানি হলে ২০ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছে।

এদিকে ক্ষেতু পাড়া ইউনিয়নের হেলাল উদ্দিন বলেন বিগত কয়েক মাস আগে টিন সার্টিফিকেট খোলার জন্য ৩০হাজার টাকা দিয়েছি,এখন পর্যন্ত আমার কাজ করে নাই, টাকা ফেরত চেয়ে মাসের পড় মাস ঘুরছি।

এদিকে নাম না বলার শর্তে এলাকার বেশ কিছু ব্যবসায়ী সাঁথিয়া উপ কর কমিশন কার্যালয়ের অফিস সহকারী মোহাম্মদ আলী ও পিয়ন আবু হানিফ নিয়মিত অফিস করেন না, তাছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ, চাঁদাবাজি দূর্নীতিসহ নানান অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। স্থানীয়রা আরও বলেন, এখন সময় এসেছে এরকম ঘুষখোর এবং দুর্নীতিবাজ দুজন কর্মচারীকে সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

অফিস সহকারি মোহাম্মদ আলী ও আবু হানিফ মুঠোফোনে দু একটি অভিযোগ স্বীকার করলেও তাদের আতœীয় পাবনার বড় মাপের দুইজনের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। বেশি ফোনে কথা বলতে নারাজ সাক্ষাতে কথা বলে বিষয়টি দেখবে বলে জানান।

বিষয়টি সাঁথিয়া উপ কর সহকারি কমিশনার শরীফ মিয়ার কাছে অফিস স্টাফ মোহাম্মদ আলী, হানিফের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে বলেন আমি নতুন জয়েন্ট করেছি, তবে জয়েন্ট করার পর থেকেই দু একটা অভিযোগ পেয়েছি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় কর কমিশনার বজলুর রহমান মুঠো ফোনে বলেন অভিযোগ পাই নাই, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।