ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

মিয়ানমারে সেনা-প্রতিরোধ গোষ্ঠীর তুমুল লড়াই

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০২৩ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

মিয়ানমারের সাগাইং-এ জান্তা ও সশস্ত্র ড্রাগন আর্মির মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। দুইপক্ষের লড়াইয়ে মিয়ানমারের ১০ সেনা সদস্য নিহত হয়েছে। এদিকে দেশটিকে নিয়ে জাতিসংঘের এক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানকার সেনাবাহিনীর যুদ্ধাপরাধ আরো তীব্র হয়ে উঠেছে। মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতী মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতিরোধ বাহিনীটি সেনাসদস্যদের ওপর হামলা চালানোর পর সাগাইং অঞ্চলে পালটা আক্রমণ শুরু হয়। মিয়ানমার রয়্যাল ড্রাগন আর্মি (এমআরডিএ) হচ্ছে জান্তা প্রতিরোধ গোষ্ঠী।  প্রতিবেদনে জানা গেছে, সোমবার সকালে কেয়া নিন গি ও কিয়াং থান গ্রামে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় দুই পক্ষ। এমআরডিএর দাবি, প্রায় আড়াই ঘণ্টার সংঘর্ষের অন্তত ১০ জন সেনা নিহত হয়েছে। যদিও ইরাবতী এই হতাহতের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। প্রতিরোধ বাহিনীটির মুখপাত্র কো নাউং ইয়ো ইরাবতীকে বলেছেন, লড়াই তীব্র হওয়ায় একটি যুদ্ধবিমান পাঠায় তারা। ঐ এলাকায় তিন দফা বোমাবর্ষণ হয়েছে। এতে বেসামরিক সদস্য বা বাহিনীর কেউ হতাহত হননি। বিমান হামলার আতঙ্কে সাতটি গ্রামের ৩ হাজার বাসিন্দা পালিয়েছে। সামরিক বাহিনী ২০২১ সালে অং সান সু চির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর জরুরি অবস্থা জারি করে মিয়ানমার। এখনও তা চলমান। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ও সু চির মুক্তির দাবিতে জান্তা প্রতিরোধ গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মিয়ানমারে সেনা-প্রতিরোধ গোষ্ঠীর তুমুল লড়াই

আপডেট সময় : ১১:৪৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ অগাস্ট ২০২৩

এফএনএস

মিয়ানমারের সাগাইং-এ জান্তা ও সশস্ত্র ড্রাগন আর্মির মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। দুইপক্ষের লড়াইয়ে মিয়ানমারের ১০ সেনা সদস্য নিহত হয়েছে। এদিকে দেশটিকে নিয়ে জাতিসংঘের এক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেখানকার সেনাবাহিনীর যুদ্ধাপরাধ আরো তীব্র হয়ে উঠেছে। মিয়ানমারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতী মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রতিরোধ বাহিনীটি সেনাসদস্যদের ওপর হামলা চালানোর পর সাগাইং অঞ্চলে পালটা আক্রমণ শুরু হয়। মিয়ানমার রয়্যাল ড্রাগন আর্মি (এমআরডিএ) হচ্ছে জান্তা প্রতিরোধ গোষ্ঠী।  প্রতিবেদনে জানা গেছে, সোমবার সকালে কেয়া নিন গি ও কিয়াং থান গ্রামে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় দুই পক্ষ। এমআরডিএর দাবি, প্রায় আড়াই ঘণ্টার সংঘর্ষের অন্তত ১০ জন সেনা নিহত হয়েছে। যদিও ইরাবতী এই হতাহতের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। প্রতিরোধ বাহিনীটির মুখপাত্র কো নাউং ইয়ো ইরাবতীকে বলেছেন, লড়াই তীব্র হওয়ায় একটি যুদ্ধবিমান পাঠায় তারা। ঐ এলাকায় তিন দফা বোমাবর্ষণ হয়েছে। এতে বেসামরিক সদস্য বা বাহিনীর কেউ হতাহত হননি। বিমান হামলার আতঙ্কে সাতটি গ্রামের ৩ হাজার বাসিন্দা পালিয়েছে। সামরিক বাহিনী ২০২১ সালে অং সান সু চির সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপর জরুরি অবস্থা জারি করে মিয়ানমার। এখনও তা চলমান। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে ও সু চির মুক্তির দাবিতে জান্তা প্রতিরোধ গোষ্ঠী গড়ে উঠেছে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে।