ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে রুয়েট উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ, ষষ্ঠ সমাবর্তন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে পাবনায় ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক, কারাদণ্ড ৩ মাদকসেবীর সত্যের পক্ষে এক সাহসিক কলম যোদ্ধা : সায়েক এম রহমান  বাংলাদেশ প্রেসক্লাব পাবনা জেলা শাখার মিলন মেলা ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে কৃষকদের আস্থার প্রতিক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল ইমরান ৩ কোটি টাকার ৮টি ব্রিজের কাজে অনিয়ম, ২ বছরেও শেষ হয়নি,তদন্তের কথা বলেন জেলা প্রশাসক বর্ণাঢ্য আয়োজনে রুয়েটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ উদযাপিত সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল

রেলগেটে নালিসী জমির মামলায় সিআইডি তদন্ত শুরু

মালিকুজ্জামান কাকা, যশোর
  • আপডেট সময় : ০৭:১৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

যশোর শহরের রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আলোচিত সেই নালিসী জমির তদন্তে এবার সিআইডি। ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট কর্তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন। জানা গেছে রিপোর্ট প্রক্রিয়াধীন। এদিকে অভিযোগ উঠেছে মামলার আসামিরা রিপোর্ট কাল ক্ষেপন করাতে হয়রানি মামলায় জমি মালিক পক্ষকে ফাঁসিয়ে দিচ্ছে।

মোট সাতটা নাম পত্তন হয়েছে অবৈধ প্রক্রিয়ায়। জমির প্রকৃত মালিক পক্ষে এসব মামলার বাদি রেলগেট পশ্চিম পাড়ার মৃত সেকেন্দার আলী শেখের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক।

সুত্র জানায়, এসব মামলার মধ্যে তিনটির তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি যশোরের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) কাজী কামাল হোসেন। যার একটি মামলার নম্বর সি আর ১১৩৯/২৩ ধারা পেনাল কোড এর ৪৬৫/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪২০/১০৯। যার স্মারক নম্বর ২৬৩২ তারিখ ০৬/১১/২০২৫।
এছাড়া সি আই ডি যশোরের সাব ইন্সপেক্টর (নি:) মোঃ রফিকুল ইসলাম একটি মামলার তদন্ত করছেন। যার সি আর নম্বর ১০৫০/২০২৩ কতোয়ালি। স্মারক নম্বর ১৫৮ তারিখ ১৯/১১/২০২৫। ধারা ৪১৯/৪২০/৪৬৫/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ পেনাল কোড।
অন্য মামলার নম্বর হচ্ছে পি ৮৭৪/২৫, সি আর ২৩২৫/২৫, সি আর ১৪২৯/২৩, সি আর ২৪৭৩/২৩, সি আর ১১৯৯/২৩, সি আর ১৫১৪/২৩, সি আর ১৯৫৫/২৩ এবং এল এস টি ৪৭/২৫। এ সকল মামলার বাদি আব্দুর রাজ্জাক।

জানা যায় ইদু মিয়া তার ৩৬ শতক ক্রয় অংশের বিপরীতে সাড়ে ৩৯ শতক জমি পাঁচটি দলিলে বিক্রি করেছেন। আর সেই জমি জবর দখলের নেতৃত্বে রয়েছেন সইজুদ্দিণের ছেলে আবুল বাসার। ওয়ারেস অনুযায়ী জমি দাখিল করতে তার শশুর ওয়ালী মোহাম্মদ ইদু মোহাম্মদের ভাই দাবি করেছে। ওয়ালী মোহাম্মদ মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী আনোয়ারা, ছেলে লাল বাবু, আব্দুস সালাম, ইসলাম, মেয়ে মুন্নী, গুলশান, রোজিনা পিতার পক্ষে জমি দাবি করছেন। তবে তারা যেসব প্রক্রিয়ায় এসব দাবি করছে তা অবৈধ।

হয়রানি মামলার বাদি আবুল বাসারের স্ত্রী মুন্নী। যার নম্বর ২৩২৫/২৫। এই মামলার আসামি প্রকৃত জমি সালাহ উদ্দীন টিঙ্কু পারভীন সুলতানা রুবা ও আব্দুর রাজ্জাক। কি বুনিয়াদে এই মামলা করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, জমি মালিকদের হয়রানি করতেই এই মামলা করা হয়েছে। একই হয়রানি ধারায় আগেও আরো মামলা করেছে জমি জবর দখলকারী আবুল বাসার, আনোয়ারা, লাল বাবু, আব্দুস সালাম, ইসলাম, রোজিনা, গুলশান ও মুন্নী গঙ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রেলগেটে নালিসী জমির মামলায় সিআইডি তদন্ত শুরু

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যশোর শহরের রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আলোচিত সেই নালিসী জমির তদন্তে এবার সিআইডি। ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট কর্তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন। জানা গেছে রিপোর্ট প্রক্রিয়াধীন। এদিকে অভিযোগ উঠেছে মামলার আসামিরা রিপোর্ট কাল ক্ষেপন করাতে হয়রানি মামলায় জমি মালিক পক্ষকে ফাঁসিয়ে দিচ্ছে।

মোট সাতটা নাম পত্তন হয়েছে অবৈধ প্রক্রিয়ায়। জমির প্রকৃত মালিক পক্ষে এসব মামলার বাদি রেলগেট পশ্চিম পাড়ার মৃত সেকেন্দার আলী শেখের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক।

সুত্র জানায়, এসব মামলার মধ্যে তিনটির তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি যশোরের পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) কাজী কামাল হোসেন। যার একটি মামলার নম্বর সি আর ১১৩৯/২৩ ধারা পেনাল কোড এর ৪৬৫/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪২০/১০৯। যার স্মারক নম্বর ২৬৩২ তারিখ ০৬/১১/২০২৫।
এছাড়া সি আই ডি যশোরের সাব ইন্সপেক্টর (নি:) মোঃ রফিকুল ইসলাম একটি মামলার তদন্ত করছেন। যার সি আর নম্বর ১০৫০/২০২৩ কতোয়ালি। স্মারক নম্বর ১৫৮ তারিখ ১৯/১১/২০২৫। ধারা ৪১৯/৪২০/৪৬৫/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ পেনাল কোড।
অন্য মামলার নম্বর হচ্ছে পি ৮৭৪/২৫, সি আর ২৩২৫/২৫, সি আর ১৪২৯/২৩, সি আর ২৪৭৩/২৩, সি আর ১১৯৯/২৩, সি আর ১৫১৪/২৩, সি আর ১৯৫৫/২৩ এবং এল এস টি ৪৭/২৫। এ সকল মামলার বাদি আব্দুর রাজ্জাক।

জানা যায় ইদু মিয়া তার ৩৬ শতক ক্রয় অংশের বিপরীতে সাড়ে ৩৯ শতক জমি পাঁচটি দলিলে বিক্রি করেছেন। আর সেই জমি জবর দখলের নেতৃত্বে রয়েছেন সইজুদ্দিণের ছেলে আবুল বাসার। ওয়ারেস অনুযায়ী জমি দাখিল করতে তার শশুর ওয়ালী মোহাম্মদ ইদু মোহাম্মদের ভাই দাবি করেছে। ওয়ালী মোহাম্মদ মারা যাওয়ার পর তার স্ত্রী আনোয়ারা, ছেলে লাল বাবু, আব্দুস সালাম, ইসলাম, মেয়ে মুন্নী, গুলশান, রোজিনা পিতার পক্ষে জমি দাবি করছেন। তবে তারা যেসব প্রক্রিয়ায় এসব দাবি করছে তা অবৈধ।

হয়রানি মামলার বাদি আবুল বাসারের স্ত্রী মুন্নী। যার নম্বর ২৩২৫/২৫। এই মামলার আসামি প্রকৃত জমি সালাহ উদ্দীন টিঙ্কু পারভীন সুলতানা রুবা ও আব্দুর রাজ্জাক। কি বুনিয়াদে এই মামলা করা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, জমি মালিকদের হয়রানি করতেই এই মামলা করা হয়েছে। একই হয়রানি ধারায় আগেও আরো মামলা করেছে জমি জবর দখলকারী আবুল বাসার, আনোয়ারা, লাল বাবু, আব্দুস সালাম, ইসলাম, রোজিনা, গুলশান ও মুন্নী গঙ।