ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হলেন নাগরিক টেলিভিশনের রুবেল মজুমদার ছবির ফ্রেমে ধরে রাখা জীবনের গল্প-আম্বিয়া বেগম অন্তরা চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন. ড. মো. আখতার হোসেন সাতকানিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ও নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজন নিয়ে মতবিনিময়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে একমত মোদি-শি জিনপিং

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩ ২৬০ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

দুই দেশের মধ্যে বিতর্কিত সীমান্তে উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা জোরদার করতে সম্মত হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। জোহানেসবার্গে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তাৎক্ষণিক একটি বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। উন্নয়নশীল অর্থনীতির ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রিকস ব্লক সৌদি আরব-ইরানসহ ছয়টি দেশকে এই গ্রুপে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় মোহন কোয়াত্রা ভারতীয় সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এরসঙ্গে একটি তাৎক্ষণিক বৈঠকে অমীমাংসিত সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লাদাখের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় কয়েক হাজার ভারতীয় ও চীনা সৈন্যের মধ্যে তিন বছর ধরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। তিন বছর আগে এই অঞ্চলে সংঘর্ষে ভারতের ২০ জন এবং চার চীনা সেনা নিহত হয়েছিল। কোয়াত্রা আরও বলেছেন, দুই নেতা প্রচেষ্টা জোরদার করতে সম্মত হয়েছেন। তবে মোদির উদ্বেগ প্রকাশের বিষয়ে শির প্রতিক্রিয়া কী বা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। নয়াদিল্লিতে চীনা দূতাবাস পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতি টুইট করে বলেছে, প্রেসিডেন্ট শি জোর দিয়েছেন যে চীন-ভারত সম্পর্কের উন্নতি তাদের অভিন্ন স্বার্থের জন্য এবং বিশ্ব ও আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্যও সহায়ক। এতে বলা হয়েছে, ‘দুই পক্ষের তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সামগ্রিক স্বার্থের কথা মাথায় রাখা উচিত এবং সীমান্ত সমস্যাটি যথাযথভাবে পরিচালনা করা উচিত, যাতে যৌথভাবে সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখা যায়।’ পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার আপাত প্রচেষ্টায় গত সপ্তাহে ভারত ও চীনের সামরিক কমান্ডাররা বৈঠক করেছেন। একটি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পশ্চিমে লাদাখ থেকে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে চীন ও ভারত নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোকে পৃথক করে, যেটিকে সম্পূর্ণরূপে নিজের দাবি করে চীন। ভারত ও চীন ১৯৬২ সালে তাদের সীমান্তে যুদ্ধে জড়িয়েছিল। চীন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচল প্রদেশসহ প্রায় ৯০ হজার বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল দাবি করে, যেখানে প্রধানত বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর আবাস। অন্যদিকে ভারত বলেছে, চীন আকসাই চিন মালভূমিতে তার অঞ্চলের ৩৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার দখল করেছে, যেটিকে ভারত লাদাখের অংশ হিসাবে বিবেচনা করে। যেখানে বর্তমানে মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা ঘটছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে একমত মোদি-শি জিনপিং

আপডেট সময় : ০৮:১৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৩

এফএনএস

দুই দেশের মধ্যে বিতর্কিত সীমান্তে উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টা জোরদার করতে সম্মত হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। গত বৃহস্পতিবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। জোহানেসবার্গে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তাৎক্ষণিক একটি বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। উন্নয়নশীল অর্থনীতির ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রিকস ব্লক সৌদি আরব-ইরানসহ ছয়টি দেশকে এই গ্রুপে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিনয় মোহন কোয়াত্রা ভারতীয় সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এরসঙ্গে একটি তাৎক্ষণিক বৈঠকে অমীমাংসিত সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ভারতের উদ্বেগ তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লাদাখের বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় কয়েক হাজার ভারতীয় ও চীনা সৈন্যের মধ্যে তিন বছর ধরে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। তিন বছর আগে এই অঞ্চলে সংঘর্ষে ভারতের ২০ জন এবং চার চীনা সেনা নিহত হয়েছিল। কোয়াত্রা আরও বলেছেন, দুই নেতা প্রচেষ্টা জোরদার করতে সম্মত হয়েছেন। তবে মোদির উদ্বেগ প্রকাশের বিষয়ে শির প্রতিক্রিয়া কী বা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। নয়াদিল্লিতে চীনা দূতাবাস পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতি টুইট করে বলেছে, প্রেসিডেন্ট শি জোর দিয়েছেন যে চীন-ভারত সম্পর্কের উন্নতি তাদের অভিন্ন স্বার্থের জন্য এবং বিশ্ব ও আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্যও সহায়ক। এতে বলা হয়েছে, ‘দুই পক্ষের তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সামগ্রিক স্বার্থের কথা মাথায় রাখা উচিত এবং সীমান্ত সমস্যাটি যথাযথভাবে পরিচালনা করা উচিত, যাতে যৌথভাবে সীমান্ত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখা যায়।’ পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার আপাত প্রচেষ্টায় গত সপ্তাহে ভারত ও চীনের সামরিক কমান্ডাররা বৈঠক করেছেন। একটি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পশ্চিমে লাদাখ থেকে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে চীন ও ভারত নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোকে পৃথক করে, যেটিকে সম্পূর্ণরূপে নিজের দাবি করে চীন। ভারত ও চীন ১৯৬২ সালে তাদের সীমান্তে যুদ্ধে জড়িয়েছিল। চীন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচল প্রদেশসহ প্রায় ৯০ হজার বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল দাবি করে, যেখানে প্রধানত বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর আবাস। অন্যদিকে ভারত বলেছে, চীন আকসাই চিন মালভূমিতে তার অঞ্চলের ৩৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার দখল করেছে, যেটিকে ভারত লাদাখের অংশ হিসাবে বিবেচনা করে। যেখানে বর্তমানে মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা ঘটছে।