ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হলেন নাগরিক টেলিভিশনের রুবেল মজুমদার ছবির ফ্রেমে ধরে রাখা জীবনের গল্প-আম্বিয়া বেগম অন্তরা চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন. ড. মো. আখতার হোসেন সাতকানিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ও নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজন নিয়ে মতবিনিময়

পাকিস্তানে একই পরিবারের ৬ শিশুসহ ১১ জনকে হত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪ ২২১ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ছয় শিশুসহ এক পরিবারের ১১ জনকে হত্যা করা হয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে তাদের বিষপান ও নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন গত বুধবার জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের লাকি মারওয়াতের শেখ নিয়াজি কুর্না তখতিখেল এলাকায় তাদের বাড়িতে শিশুসহ পরিবারের ১১ সদস্যেকে তাদের বাড়িতে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। নিহতরা হলেন সরদরাজ নামক এক ব্যক্তির ছেলে সরদরাজ তাবেদার, তার স্ত্রী সওদানা বিবি, তাদের ছেলে আল্লাহ নূর ও আবদুল রহিম এবং মেয়ে মুজলেফা ও বসরিনা বিবি। নিহতদের মধ্যে আরও রয়েছে সরদরাজের আরেক ছেলে আমালদার, তার স্ত্রী গুলদানা, তাদের ছেলে আমিরুল্লাহ এবং মেয়ে নাইফা ও নূরবানা। তাবেদারের চাচা উমর গুল (৬৭) পুলিশকে বলেন, আমার ও আমার ভাতিজার বাড়ি পাশাপাশি। বুধবার সকালে তাদের বাড়িতে গিয়ে শোবার ঘর বাইরে থেকে তালা দেওয়া দেখতে পাই। একপর্যায়ে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে দরজা ভাঙার সিদ্ধান্ত নিই। দরজা ভাঙার পর তাবেদার, তার স্ত্রী ও সন্তানদের রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। তিনি আরও বলেন, আমালদার, তার স্ত্রী ও সন্তানদেরও তাদের ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে আমি আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীদের ডেকে লাশগুলো সেরাই নওরাং শহরের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করি। উমর গুল বলেন, আমালদারের মেয়ে চামতির বিয়ে হয়েছিল উত্তর ওয়াজিরিস্তান উপজাতীয় জেলার মাদাখেল এলাকার বাসিন্দা সাদ্দার খানের ছেলের সঙ্গে। কয়েকদিন আগে সাদ্দার খান আমালদারের বাড়িতে রাত কাটিয়েছিলেন। গুলের দাবি, সাদ্দার খান-ই এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছেন। কারণ তিনি ও তার ছেলে চামতি বিবির প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন। স্থানীয় পুলিশের ধারণা, নিহতদের দুই-তিন দিন আগে নির্যাতন ও বিষপ্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা ডনকে বলেন, ওই ১১ জনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এরইমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে ও বাড়ি থেকে কিছু তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। জেলা পুলিশ কর্মকর্তা তারিক হাবিব নিহতের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আরশাদ হুসেন শাহ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রাদেশিক পুলিশের মহাপরিদর্শককে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। সূত্র: ডন

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাকিস্তানে একই পরিবারের ৬ শিশুসহ ১১ জনকে হত্যা

আপডেট সময় : ১০:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪

এফএনএস
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে ছয় শিশুসহ এক পরিবারের ১১ জনকে হত্যা করা হয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে তাদের বিষপান ও নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন গত বুধবার জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের লাকি মারওয়াতের শেখ নিয়াজি কুর্না তখতিখেল এলাকায় তাদের বাড়িতে শিশুসহ পরিবারের ১১ সদস্যেকে তাদের বাড়িতে নিহত অবস্থায় পাওয়া যায়। নিহতরা হলেন সরদরাজ নামক এক ব্যক্তির ছেলে সরদরাজ তাবেদার, তার স্ত্রী সওদানা বিবি, তাদের ছেলে আল্লাহ নূর ও আবদুল রহিম এবং মেয়ে মুজলেফা ও বসরিনা বিবি। নিহতদের মধ্যে আরও রয়েছে সরদরাজের আরেক ছেলে আমালদার, তার স্ত্রী গুলদানা, তাদের ছেলে আমিরুল্লাহ এবং মেয়ে নাইফা ও নূরবানা। তাবেদারের চাচা উমর গুল (৬৭) পুলিশকে বলেন, আমার ও আমার ভাতিজার বাড়ি পাশাপাশি। বুধবার সকালে তাদের বাড়িতে গিয়ে শোবার ঘর বাইরে থেকে তালা দেওয়া দেখতে পাই। একপর্যায়ে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে দরজা ভাঙার সিদ্ধান্ত নিই। দরজা ভাঙার পর তাবেদার, তার স্ত্রী ও সন্তানদের রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখি। তিনি আরও বলেন, আমালদার, তার স্ত্রী ও সন্তানদেরও তাদের ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে আমি আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসীদের ডেকে লাশগুলো সেরাই নওরাং শহরের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করি। উমর গুল বলেন, আমালদারের মেয়ে চামতির বিয়ে হয়েছিল উত্তর ওয়াজিরিস্তান উপজাতীয় জেলার মাদাখেল এলাকার বাসিন্দা সাদ্দার খানের ছেলের সঙ্গে। কয়েকদিন আগে সাদ্দার খান আমালদারের বাড়িতে রাত কাটিয়েছিলেন। গুলের দাবি, সাদ্দার খান-ই এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছেন। কারণ তিনি ও তার ছেলে চামতি বিবির প্রতি অসন্তুষ্ট ছিলেন। স্থানীয় পুলিশের ধারণা, নিহতদের দুই-তিন দিন আগে নির্যাতন ও বিষপ্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা ডনকে বলেন, ওই ১১ জনকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এরইমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে ও বাড়ি থেকে কিছু তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। জেলা পুলিশ কর্মকর্তা তারিক হাবিব নিহতের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছেন। এদিকে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আরশাদ হুসেন শাহ এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রাদেশিক পুলিশের মহাপরিদর্শককে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। সূত্র: ডন