ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হলেন নাগরিক টেলিভিশনের রুবেল মজুমদার ছবির ফ্রেমে ধরে রাখা জীবনের গল্প-আম্বিয়া বেগম অন্তরা চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন. ড. মো. আখতার হোসেন সাতকানিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ও নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজন নিয়ে মতবিনিময়

পাকিস্তানে শিয়া-সুন্নি সংঘাতে নিহত ১৬

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪ ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররাম জেলায় শিয়া ও সুন্নি উপজাতিদের মধ্যে সংঘাতে দুই শিশু, তিন নারীসহ কমপক্ষে ১৬ জন নিহত হয়েছে। এই প্রদেশটিতে গত কয়েক মাস ধরে শিয়া ও সুন্নি গোত্রের লোকজনের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত চলে আসছে। খবর এএফপির। কুররাম একসময় আধা স্বায়ত্বশাসিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে বছরের পর বছর ধরে মুসলিম সম্প্রদায়ের শিয়া ও সুন্নি গোত্র রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িত। এসব সংঘাতে ইতোমধ্যে কয়েকশ লোকের প্রাণহানি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুররাম জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানান, গত শনিবার আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের পাহারায় সুন্নিদের একটি বহর চলাচলের সময় তা হামলার শিকার হয়। হামলায় দুই শিশু, তিনজন নারীসহ ১৪ জন নিহত হয় এবং আরও ছয়জন গুরুতর আহত হয় বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি আরও জানান, সীমান্ত পুলিশ ঘটনার জবাব দেয় এবং তাদের গুলিতে দুই আক্রমণকারী নিহত হয়। পরে তাদের শিয়া সম্প্রদায়ের লোক হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এর আগে গত জুলাই ও সেপ্টেম্বর মাসেও এ ধরনের সংঘাতে বেশ কিছু লোকের প্রাণহানি হয়। পরে স্থানীয় উপজাতিদের জিরগা বা কাউন্সিলের উদ্যোগে অস্ত্রবিরতি হলে সংঘাত থামে। সরকারি কর্মকর্তারা এখন নতুন করে অস্ত্রবিরতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাকিস্তানে জাতিগত ও পারিবারিক সংঘাত একটি সাধারণ ঘটনা। তবে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে উপজাতিগুলো নিজস্ব রীতি-নীতি মেনে চলতে অভ্যস্ত হওয়ায় কখনো কখনো বিরোধ সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। সুন্নি মুসলিম অধ্যুষিত দেশটিতে শিয়ারা বিভিন্নভাবে নিগৃহীত হয় এমন অভিযোগও রয়েছে।-এফএনএস

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাকিস্তানে শিয়া-সুন্নি সংঘাতে নিহত ১৬

আপডেট সময় : ০৬:০৬:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৪

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররাম জেলায় শিয়া ও সুন্নি উপজাতিদের মধ্যে সংঘাতে দুই শিশু, তিন নারীসহ কমপক্ষে ১৬ জন নিহত হয়েছে। এই প্রদেশটিতে গত কয়েক মাস ধরে শিয়া ও সুন্নি গোত্রের লোকজনের মধ্যে সশস্ত্র সংঘাত চলে আসছে। খবর এএফপির। কুররাম একসময় আধা স্বায়ত্বশাসিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। এখানে বছরের পর বছর ধরে মুসলিম সম্প্রদায়ের শিয়া ও সুন্নি গোত্র রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িত। এসব সংঘাতে ইতোমধ্যে কয়েকশ লোকের প্রাণহানি হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কুররাম জেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা জানান, গত শনিবার আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের পাহারায় সুন্নিদের একটি বহর চলাচলের সময় তা হামলার শিকার হয়। হামলায় দুই শিশু, তিনজন নারীসহ ১৪ জন নিহত হয় এবং আরও ছয়জন গুরুতর আহত হয় বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি আরও জানান, সীমান্ত পুলিশ ঘটনার জবাব দেয় এবং তাদের গুলিতে দুই আক্রমণকারী নিহত হয়। পরে তাদের শিয়া সম্প্রদায়ের লোক হিসেবে শনাক্ত করা হয়। এর আগে গত জুলাই ও সেপ্টেম্বর মাসেও এ ধরনের সংঘাতে বেশ কিছু লোকের প্রাণহানি হয়। পরে স্থানীয় উপজাতিদের জিরগা বা কাউন্সিলের উদ্যোগে অস্ত্রবিরতি হলে সংঘাত থামে। সরকারি কর্মকর্তারা এখন নতুন করে অস্ত্রবিরতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাকিস্তানে জাতিগত ও পারিবারিক সংঘাত একটি সাধারণ ঘটনা। তবে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে উপজাতিগুলো নিজস্ব রীতি-নীতি মেনে চলতে অভ্যস্ত হওয়ায় কখনো কখনো বিরোধ সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নেয়। সুন্নি মুসলিম অধ্যুষিত দেশটিতে শিয়ারা বিভিন্নভাবে নিগৃহীত হয় এমন অভিযোগও রয়েছে।-এফএনএস