ঢাকা ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল: স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার শাহিন আলম, অন্যান্য সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি : প্রিয়া চৌধুরী
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৭৭ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া মহানগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা, জিয়া সাইবার ফোর্সের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ পত্রিকার সাবেক প্রতিনিধি এবং জাতীয় দৈনিক দেশ বুলেটিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে পরিচিত মো. শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, শাহিন আলমের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বগুড়া মহানগর ২১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে। তবে তিনি যে অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন, সেসব সংগঠনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করলেও অভিযোগ রয়েছে, সেই নীতিকে উপেক্ষা করে শাহিন আলম মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর প্রশাসনও ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গণমাধ্যমকে জানান, শাহিন আলমের মাদক সেবনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে শাহিন আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার দাবি, “আমাকে পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর মাধ্যমে আমার সম্মানহানি করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা এবং আইনগত বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য ও আইনগত প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল: স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার শাহিন আলম, অন্যান্য সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ১০:৫৩:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বগুড়া মহানগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা, জিয়া সাইবার ফোর্সের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক প্রভাতী বাংলাদেশ পত্রিকার সাবেক প্রতিনিধি এবং জাতীয় দৈনিক দেশ বুলেটিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে পরিচিত মো. শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, শাহিন আলমের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বগুড়া মহানগর ২১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দল দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে। তবে তিনি যে অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন, সেসব সংগঠনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সরকার মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করলেও অভিযোগ রয়েছে, সেই নীতিকে উপেক্ষা করে শাহিন আলম মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর প্রশাসনও ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গণমাধ্যমকে জানান, শাহিন আলমের মাদক সেবনের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি পুলিশের নজরে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং তাকে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে শাহিন আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার দাবি, “আমাকে পরিকল্পিতভাবে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর মাধ্যমে আমার সম্মানহানি করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রকৃত সত্য উদঘাটন হলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে।”

ঘটনাটি নিয়ে এলাকাজুড়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা এবং আইনগত বিষয়গুলো তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য ও আইনগত প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।