ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হলেন নাগরিক টেলিভিশনের রুবেল মজুমদার ছবির ফ্রেমে ধরে রাখা জীবনের গল্প-আম্বিয়া বেগম অন্তরা চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন. ড. মো. আখতার হোসেন সাতকানিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ও নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজন নিয়ে মতবিনিময়

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে চট্টগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দ্বিতীয় দিনেও

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে আজ ১৫ জুলাই(বুধবার) দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন চট্টগ্রামের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। বেলা আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট এলাকায় তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার ছয় দফা দাবিতে আন্দোলন করলেও তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উল্টো ঢাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তারা এখন এক দফা দাবিতে—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা পৌনে তিনটার দিকে ২ নম্বর গেট মোড়ে পরীক্ষার্থীরা সড়কের মাঝখানে অবস্থান নেন। যদিও তারা পুরো সড়ক অবরোধ করেননি, তবে কর্মসূচির কারণে যান চলাচল কিছুটা ধীর হয়ে পড়ে। এ সময় তারা ‘তুমি কে, আমি কে, ফার্মের মুরগি’, ‘কে বলেছে, কে বলেছে, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী’ এবং ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এক পরীক্ষার্থী বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ছয় দফা দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু দাবি মেনে নেওয়ার পরিবর্তে আমাদের সঙ্গে উল্টো আচরণ করা হয়েছে। এখন আমাদের একমাত্র দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।”

এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দুই দফায় প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের একটি গেট খুলে সড়কে ফেলে দেন। এতে নগরজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কর্মসূচি শেষ হয়।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবারই পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রশ্নপত্রের মান নিশ্চিত করা, ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন প্রণয়নকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা, উত্তরপত্র ন্যায্যভাবে মূল্যায়ন, দুর্যোগের কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নতুন পরীক্ষার রুটিন প্রণয়ন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে চট্টগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ দ্বিতীয় দিনেও

আপডেট সময় : ০৯:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে আজ ১৫ জুলাই(বুধবার) দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন চট্টগ্রামের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। বেলা আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম নগরের ২ নম্বর গেট এলাকায় তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার ছয় দফা দাবিতে আন্দোলন করলেও তা বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উল্টো ঢাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে তারা এখন এক দফা দাবিতে—শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বেলা পৌনে তিনটার দিকে ২ নম্বর গেট মোড়ে পরীক্ষার্থীরা সড়কের মাঝখানে অবস্থান নেন। যদিও তারা পুরো সড়ক অবরোধ করেননি, তবে কর্মসূচির কারণে যান চলাচল কিছুটা ধীর হয়ে পড়ে। এ সময় তারা ‘তুমি কে, আমি কে, ফার্মের মুরগি’, ‘কে বলেছে, কে বলেছে, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী’ এবং ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

এক পরীক্ষার্থী বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ছয় দফা দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু দাবি মেনে নেওয়ার পরিবর্তে আমাদের সঙ্গে উল্টো আচরণ করা হয়েছে। এখন আমাদের একমাত্র দাবি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।”

এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দুই দফায় প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের একটি গেট খুলে সড়কে ফেলে দেন। এতে নগরজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কর্মসূচি শেষ হয়।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবারই পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীদের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—প্রশ্নপত্রের মান নিশ্চিত করা, ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন প্রণয়নকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনা, উত্তরপত্র ন্যায্যভাবে মূল্যায়ন, দুর্যোগের কারণে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নতুন পরীক্ষার রুটিন প্রণয়ন।