ঢাকা ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদ-এর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ফটিকছড়ির মোবারক হোসেন ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার, অন্যরা পলাতক নাশকতার মামলায় যুবলীগের দুই সাংগঠনিক সম্পাদক গ্রেপ্তার বীরগঞ্জে পটল চাষে কৃষকের বাজিমাত গোপালগঞ্জের বর্ণি বাওড়ে অবৈধ ড্রেজারে মাটি কাটার দায়ে ৫ জনকে সাজা নেত্রকোণা জেলা পুলিশের তৎপরতায় মানবকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধির হারানো মোবাইল উদ্ধার মদনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু অপরাধের গ্রাফ বিগত যেকোন সময়ের চেয়ে নিম্নমুখী; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েন রুটিন দায়িত্ব- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাটগ্রামে চারটি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পালাতক আসামি গ্রেফতার

ইরানের ‘শাহেদ’র আদলে ড্রোন বানাচ্ছে মস্কো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩ ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন নিয়ে ইউক্রেনের মাটিতে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। এই ড্রোনগুলো একদিকে যেমন সহজলভ্য অন্যদিকে নিখুঁত হামলা চালাতে পারদর্শী। এবার নিজস্ব প্রযুক্তিতে শাহেদ ড্রোনের সিরিজগুলো তৈরিতে নেমেছে মস্কো। সামরিক ড্রোন নিয়ে গবেষণা করা যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি সংস্থা এমন তথ্য সামনে এনেছে। তাদের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইউক্রেনে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোন নথিভুক্ত করেছে কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চ (সিএআর)। কয়েকটি ড্রোনের যন্ত্রাংশে রুশ শব্দ জেরানিয়াম (জেরান) লেখা পাওয়া গেছে। যা রাশিয়ার তৈরি। গবেষণায় বলা হচ্ছে, ইউক্রেনে যে ড্রোন ব্যবহার হচ্ছে সেসব ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩১ ও শাহেদ-১৩৬ মডেলের। কিন্তু গত মাসে ইউক্রেনে ব্যবহৃত দুটি ‘জেরান-২’ মডেলের অবকাঠামো হাতে এসেছে (সিএআর)-এর তদন্তকারীদের। এ নিয়ে বিস্তর পর্যবেক্ষণ করেছেন তারা। ফলাফলে দেখা যায়, ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ এর আদলে রাশিয়া নিজেরাই ড্রোন তৈরি করছে। ড্রোনগুলোতে বড় পার্থক্য রয়েছে বলেও বেরিয়ে এসেছে তদন্তে। এতে দ্রুত উৎপাদনও সম্ভব হবে। এই ক্ষমতাকে রাশিয়ার জন্য মোড় পরিবর্তনকারী টার্নিং পয়েন্ট বলে বর্ণনা করেছেন গবেষকরা। ইউক্রেনে হামলা ধরে রাখতে এখন রাশিয়ার একাধিক পথ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। রাশিয়াকে তিন মডেলের ড্রোন সরবরাহ করেছে ইরান। সেগুলো হলো, শাহেদ ১৩১ ও ১৩৬ কামিকাজে ড্রোন। এগুলোকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সস্তা বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করছে রুশ বাহিনী। এ ছাড়া মোহাজের-৬ মাল্টি রোল ড্রোনও বেশ কার্যকরী। এগুলোকে সাধাণরত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। মস্কোকে ড্রোন সরবরাহে তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। তারপরও ইরানকে থামানো যাচ্ছে না। যদিও পশ্চিমাদের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে দেশটি। সূত্র: সিএনএন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইরানের ‘শাহেদ’র আদলে ড্রোন বানাচ্ছে মস্কো

আপডেট সময় : ১১:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩

এফএনএস

ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোন নিয়ে ইউক্রেনের মাটিতে ক্রমাগত হামলা চালাচ্ছে রাশিয়া। এই ড্রোনগুলো একদিকে যেমন সহজলভ্য অন্যদিকে নিখুঁত হামলা চালাতে পারদর্শী। এবার নিজস্ব প্রযুক্তিতে শাহেদ ড্রোনের সিরিজগুলো তৈরিতে নেমেছে মস্কো। সামরিক ড্রোন নিয়ে গবেষণা করা যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি সংস্থা এমন তথ্য সামনে এনেছে। তাদের প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইউক্রেনে হামলায় ব্যবহৃত ড্রোন নথিভুক্ত করেছে কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চ (সিএআর)। কয়েকটি ড্রোনের যন্ত্রাংশে রুশ শব্দ জেরানিয়াম (জেরান) লেখা পাওয়া গেছে। যা রাশিয়ার তৈরি। গবেষণায় বলা হচ্ছে, ইউক্রেনে যে ড্রোন ব্যবহার হচ্ছে সেসব ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩১ ও শাহেদ-১৩৬ মডেলের। কিন্তু গত মাসে ইউক্রেনে ব্যবহৃত দুটি ‘জেরান-২’ মডেলের অবকাঠামো হাতে এসেছে (সিএআর)-এর তদন্তকারীদের। এ নিয়ে বিস্তর পর্যবেক্ষণ করেছেন তারা। ফলাফলে দেখা যায়, ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ এর আদলে রাশিয়া নিজেরাই ড্রোন তৈরি করছে। ড্রোনগুলোতে বড় পার্থক্য রয়েছে বলেও বেরিয়ে এসেছে তদন্তে। এতে দ্রুত উৎপাদনও সম্ভব হবে। এই ক্ষমতাকে রাশিয়ার জন্য মোড় পরিবর্তনকারী টার্নিং পয়েন্ট বলে বর্ণনা করেছেন গবেষকরা। ইউক্রেনে হামলা ধরে রাখতে এখন রাশিয়ার একাধিক পথ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। রাশিয়াকে তিন মডেলের ড্রোন সরবরাহ করেছে ইরান। সেগুলো হলো, শাহেদ ১৩১ ও ১৩৬ কামিকাজে ড্রোন। এগুলোকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সস্তা বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করছে রুশ বাহিনী। এ ছাড়া মোহাজের-৬ মাল্টি রোল ড্রোনও বেশ কার্যকরী। এগুলোকে সাধাণরত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। মস্কোকে ড্রোন সরবরাহে তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। তারপরও ইরানকে থামানো যাচ্ছে না। যদিও পশ্চিমাদের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে দেশটি। সূত্র: সিএনএন