ঢাকা ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হলেন নাগরিক টেলিভিশনের রুবেল মজুমদার ছবির ফ্রেমে ধরে রাখা জীবনের গল্প-আম্বিয়া বেগম অন্তরা চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন. ড. মো. আখতার হোসেন সাতকানিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ও নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজন নিয়ে মতবিনিময়

রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে লাভবান ৩ দেশ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ মে ২০২৩ ২১৭ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

উৎপাদন করা স্বর্ণের পাহাড় নিয়ে বড় বিপদে পড়ে যাচ্ছিল রাশিয়া। বছরে উৎপাদিত ৩২৫ টন স্বর্ণের পুরোটাই দেশের সীমানায় বন্দি থাকলে বড় বিপর্যয় নামতো রুশ অর্থনীতিতে। সুকৌশলে সেই বিপদ এড়িয়েছে রাশিয়া। তাতে লাভ হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও তুরস্কের। রাশিয়ার আবগারি বিভাগের তথ্য বলছে, পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা নেমে আসার পর সে দেশ থেকে প্রায় এক হাজার স্বর্ণের চালান গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এই সময়ে সেখানে রুশ স্বর্ণের আমদানি না কমে বরং বেড়েছে। নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগের বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালে ৭৪.৩ টন স্বর্ণ রাশিয়া থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিল, ২০২২ সালে সেখানে আমদানিকৃত স্বর্ণ ১.৩ টন বেড়ে হয়ে গেছে ৭৫.৭ টন। ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে নিষেধাজ্ঞার চাপে পড়া রাশিয়ার স্বর্ণের সবচেয়ে বড় ক্রেতা এখন সংযুক্ত আরব আমিরাত। তার ঠিক পরেই রয়েছে চীন ও তুরস্ক। ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ৩ মার্চ পর্যন্ত এই দুটি দেশে ২০ টন করে স্বর্ণ রপ্তানি করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার কাস্টমস বিভাগের নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশটি নিষেধাজ্ঞা শুরুর পর থেকে যে পরিমাণ স্বর্ণ রপ্তানি করেছে তার ৯৯.৮ শতাংশই গেছে এই তিন দেশ, অর্থাৎ সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও তুরস্কে। অর্গ্যানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের স্বর্ণ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লুইস ম্যারেচাল মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের তখন বড় দুর্ভাবনা ছিল, রাশিয়া থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও তুরস্কে যাওয়া স্বর্ণ গলিয়ে নতুন চেহারায় বাইডেনের দেশেও পাঠানো হতে পারে! তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের গোল্ড বুলিয়ন কমিটি জানিয়েছে, তারা সবসময় এক রত্তি অবৈধ স্বর্ণও যেন আমদানি বা রপ্তানি না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখে। এক বিবৃতিতে তারা আরো জানায়, ‘ইউএই খোলামেলাভাবে এবং সৎভাবে জাতিসঙ্ঘের ঘোষণা করা নিয়ম মেনে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে ব্যবসার এ ধারা অব্যাহত রাখবে।’ তবে তিন দেশে রপ্তানি অব্যাহত রাখতে পারলেও উৎপাদিত সব স্বর্ণ যে রাশিয়া বিক্রি করতে পারছে, ব্যাপারটা সেরকম নয়। ২০২২ সালে মোট ৩২৫ টন স্বর্ণ উৎপাদন করেছে রাশিয়া। সেখান থেকে এ পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১১৬. ৩ টন। সূত্র : ডয়চে ভেলে

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাশিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে লাভবান ৩ দেশ

আপডেট সময় : ০১:১৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ মে ২০২৩

এফএনএস

উৎপাদন করা স্বর্ণের পাহাড় নিয়ে বড় বিপদে পড়ে যাচ্ছিল রাশিয়া। বছরে উৎপাদিত ৩২৫ টন স্বর্ণের পুরোটাই দেশের সীমানায় বন্দি থাকলে বড় বিপর্যয় নামতো রুশ অর্থনীতিতে। সুকৌশলে সেই বিপদ এড়িয়েছে রাশিয়া। তাতে লাভ হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও তুরস্কের। রাশিয়ার আবগারি বিভাগের তথ্য বলছে, পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা নেমে আসার পর সে দেশ থেকে প্রায় এক হাজার স্বর্ণের চালান গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এই সময়ে সেখানে রুশ স্বর্ণের আমদানি না কমে বরং বেড়েছে। নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগের বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালে ৭৪.৩ টন স্বর্ণ রাশিয়া থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়েছিল, ২০২২ সালে সেখানে আমদানিকৃত স্বর্ণ ১.৩ টন বেড়ে হয়ে গেছে ৭৫.৭ টন। ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে নিষেধাজ্ঞার চাপে পড়া রাশিয়ার স্বর্ণের সবচেয়ে বড় ক্রেতা এখন সংযুক্ত আরব আমিরাত। তার ঠিক পরেই রয়েছে চীন ও তুরস্ক। ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৩ সালের ৩ মার্চ পর্যন্ত এই দুটি দেশে ২০ টন করে স্বর্ণ রপ্তানি করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার কাস্টমস বিভাগের নথিভুক্ত তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশটি নিষেধাজ্ঞা শুরুর পর থেকে যে পরিমাণ স্বর্ণ রপ্তানি করেছে তার ৯৯.৮ শতাংশই গেছে এই তিন দেশ, অর্থাৎ সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও তুরস্কে। অর্গ্যানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের স্বর্ণ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ লুইস ম্যারেচাল মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের তখন বড় দুর্ভাবনা ছিল, রাশিয়া থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও তুরস্কে যাওয়া স্বর্ণ গলিয়ে নতুন চেহারায় বাইডেনের দেশেও পাঠানো হতে পারে! তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের গোল্ড বুলিয়ন কমিটি জানিয়েছে, তারা সবসময় এক রত্তি অবৈধ স্বর্ণও যেন আমদানি বা রপ্তানি না হয় সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখে। এক বিবৃতিতে তারা আরো জানায়, ‘ইউএই খোলামেলাভাবে এবং সৎভাবে জাতিসঙ্ঘের ঘোষণা করা নিয়ম মেনে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে ব্যবসার এ ধারা অব্যাহত রাখবে।’ তবে তিন দেশে রপ্তানি অব্যাহত রাখতে পারলেও উৎপাদিত সব স্বর্ণ যে রাশিয়া বিক্রি করতে পারছে, ব্যাপারটা সেরকম নয়। ২০২২ সালে মোট ৩২৫ টন স্বর্ণ উৎপাদন করেছে রাশিয়া। সেখান থেকে এ পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১১৬. ৩ টন। সূত্র : ডয়চে ভেলে