ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর কেনাবেচার অভিযোগ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম

মোজাম্মেল হক :বীরগঞ্জ (দিনাজপুর)
  • আপডেট সময় : ১১:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বৃহস্পতিবার ২ জুলাই বিকেলে ৩নং শতগ্রাম ইউনিয়নের কাশিমনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরকারি ঘর অবৈধভাবে কেনাবেচার অভিযোগের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম । বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের দুই দিনের মাথায় তিনি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগ ও প্রকল্পের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
এ সময় বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমা খাতুন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর বর্মন উপস্থিত ছিলেন।
সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের সরকারি ঘর কেনাবেচা বা অন্য কোনো অনিয়মের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসনের জন্য সরকার এসব ঘর নির্মাণ করেছে। ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে এসব ঘর কেনাবেচার কোনো সুযোগ নেই। এটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় সচেতন জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমা খাতুন বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। নির্ধারিত উপকারভোগীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যেই এসব ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঘর কেনাবেচা বা অবৈধভাবে হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাশিমনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে কয়েকটি সরকারি ঘর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে হাতবদল হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি ঘর বিক্রির চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসব অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় যুবসমাজ ও সচেতন নাগরিকেরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পরিদর্শনকালে ৩নং শতগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আশ্রয়ণ প্রকল্পে ঘর কেনাবেচার অভিযোগ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এমপি মনজুরুল ইসলাম

আপডেট সময় : ১১:৩২:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বৃহস্পতিবার ২ জুলাই বিকেলে ৩নং শতগ্রাম ইউনিয়নের কাশিমনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরকারি ঘর অবৈধভাবে কেনাবেচার অভিযোগের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম । বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশের দুই দিনের মাথায় তিনি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের অভিযোগ ও প্রকল্পের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
এ সময় বীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমা খাতুন এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপঙ্কর বর্মন উপস্থিত ছিলেন।
সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের সরকারি ঘর কেনাবেচা বা অন্য কোনো অনিয়মের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসনের জন্য সরকার এসব ঘর নির্মাণ করেছে। ব্যক্তিগত লাভের উদ্দেশ্যে এসব ঘর কেনাবেচার কোনো সুযোগ নেই। এটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় সচেতন জনগণকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমা খাতুন বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। নির্ধারিত উপকারভোগীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যেই এসব ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঘর কেনাবেচা বা অবৈধভাবে হস্তান্তরের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাশিমনগর আশ্রয়ণ প্রকল্পে কয়েকটি সরকারি ঘর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে হাতবদল হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকটি ঘর বিক্রির চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসব অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় যুবসমাজ ও সচেতন নাগরিকেরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পরিদর্শনকালে ৩নং শতগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।