ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সমাজে মানবিকতার সংকট: আমরা কি সত্যিই ভালো মানুষ হতে পারছি? নবগঠিত ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন নেতাকর্মীরা ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল নতুন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীকে সমমনা সংগঠনগুলোর অভিনন্দন ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ীদের দ্রুত নির্মূলের নির্দেশ সাংবাদিক সমিতির কুমিল্লা জেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হলেন নাগরিক টেলিভিশনের রুবেল মজুমদার ছবির ফ্রেমে ধরে রাখা জীবনের গল্প-আম্বিয়া বেগম অন্তরা চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন. ড. মো. আখতার হোসেন সাতকানিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ ও নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজন নিয়ে মতবিনিময়

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৭ মসজিদ ও ৭ গির্জা ধ্বংস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

এফএনএস

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ঐতিহাসিক মসজিদ ও গ্রিক অর্থোডক্স গির্জায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে এখন পর্যন্ত গাঁজায়। ৪৭টি মসজিদ ও ৭টি গির্জা ধ্বংস হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। এদিকে গাজার মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, যে গত তিন সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২০৩টি স্কুল এবং ৮০টি সরকারি অফিস পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। গাজা মিডিয়া অফিসের পরিচালক সালামা মারুফের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছ, ইসরায়েলি বোমা হামলায় এখন পর্যন্ত ২ লাখ ২০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এবং ৩২ হাজার ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এদিকে ইসরায়েলের অব্যাহত গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায় গাজার নিহতের সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়েছে, যাদের অর্ধেকই শিশু। টানা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ২০ হাজার ফিলিস্তিনি। ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। এর জবাবে সেদিন থেকেই গাজায় অনবরত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এতে গতকাল পর্যন্ত ৮ হাজার ৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় এক হাজার মরদেহ পড়ে আছে। এ ছাড়া পশ্চিম তীরেও হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১২। অন্যদিকে ইসরায়েলে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৩৩১ জন সেনা। এ ছাড়া নিজেদের বন্দীদের মুক্ত করে আনতে দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে জিম্মি করে রেখেছেন হামাস যোদ্ধারা। জিম্মিদের বেশ কয়েকজন পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত নাগরিক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৭ মসজিদ ও ৭ গির্জা ধ্বংস

আপডেট সময় : ০২:১৪:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৩

এফএনএস

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি ঐতিহাসিক মসজিদ ও গ্রিক অর্থোডক্স গির্জায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে এখন পর্যন্ত গাঁজায়। ৪৭টি মসজিদ ও ৭টি গির্জা ধ্বংস হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। এদিকে গাজার মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, যে গত তিন সপ্তাহে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২০৩টি স্কুল এবং ৮০টি সরকারি অফিস পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। গাজা মিডিয়া অফিসের পরিচালক সালামা মারুফের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছ, ইসরায়েলি বোমা হামলায় এখন পর্যন্ত ২ লাখ ২০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এবং ৩২ হাজার ভবন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এদিকে ইসরায়েলের অব্যাহত গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলায় গাজার নিহতের সংখ্যা আট হাজার ছাড়িয়েছে, যাদের অর্ধেকই শিশু। টানা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ২০ হাজার ফিলিস্তিনি। ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। এর জবাবে সেদিন থেকেই গাজায় অনবরত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এতে গতকাল পর্যন্ত ৮ হাজার ৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ২০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে। এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় এক হাজার মরদেহ পড়ে আছে। এ ছাড়া পশ্চিম তীরেও হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১২। অন্যদিকে ইসরায়েলে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের হামলায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন, তাদের মধ্যে ৩৩১ জন সেনা। এ ছাড়া নিজেদের বন্দীদের মুক্ত করে আনতে দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে জিম্মি করে রেখেছেন হামাস যোদ্ধারা। জিম্মিদের বেশ কয়েকজন পশ্চিমা দেশগুলোর দ্বৈত নাগরিক।