ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

ঠাকুরগাঁওয়ে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী ধামের গান

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: মাসুম রানা,
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

একসময় ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের পাড়া-মহল্লায় ধামের গানের আসর মানেই ছিল উৎসবের আমেজ। এখন সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে আর্থিক সংকট ও পালাকারদের অনাগ্রহের কারণে।

প্রতিবছর কার্তিক মাসে লক্ষ্মীপূজার সময় জেলায় এখনো দুই শতাধিক ধামের আসর বসে। হিন্দু-মুসলমানসহ সব ধর্মের মানুষ একসাথে বসে এই গান উপভোগ করেন।

সরকারি সহায়তা না থাকায় স্থানীয় যুবকরা নিজ উদ্যোগে চাঁদা তুলে আয়োজন করছেন এসব অনুষ্ঠান। সংগঠনের সভাপতি প্রিরন চন্দ্র বর্মন জানান, পালার মান অনুযায়ী পালাকারদের দেড় থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত সম্মানী দেওয়া হয়।

পালাকার মলিন চন্দ্র বর্মন বলেন, “ধামের গান আমাদের গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি। মানুষ এখনো আগ্রহ নিয়ে শোনে, শুধু প্রয়োজন একটু সহায়তা।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ঠাকুরগাঁওয়ে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী ধামের গান

আপডেট সময় : ০৫:২৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

একসময় ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের পাড়া-মহল্লায় ধামের গানের আসর মানেই ছিল উৎসবের আমেজ। এখন সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যেতে বসেছে আর্থিক সংকট ও পালাকারদের অনাগ্রহের কারণে।

প্রতিবছর কার্তিক মাসে লক্ষ্মীপূজার সময় জেলায় এখনো দুই শতাধিক ধামের আসর বসে। হিন্দু-মুসলমানসহ সব ধর্মের মানুষ একসাথে বসে এই গান উপভোগ করেন।

সরকারি সহায়তা না থাকায় স্থানীয় যুবকরা নিজ উদ্যোগে চাঁদা তুলে আয়োজন করছেন এসব অনুষ্ঠান। সংগঠনের সভাপতি প্রিরন চন্দ্র বর্মন জানান, পালার মান অনুযায়ী পালাকারদের দেড় থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত সম্মানী দেওয়া হয়।

পালাকার মলিন চন্দ্র বর্মন বলেন, “ধামের গান আমাদের গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি। মানুষ এখনো আগ্রহ নিয়ে শোনে, শুধু প্রয়োজন একটু সহায়তা।”