ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

পাবনায় কৃষকের মাঝে কৃষি বনায়ন প্রযুক্তি জনপ্রিয়করণ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।

পাবনা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫ ২৪১ বার পড়া হয়েছে

পাবনা অঞ্চলে কৃষকের মাঝে কৃষি বনায়ন প্রযুক্তি জনপ্রিয়করণ শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, পাবনা’র আয়োজনে পাবনা সদর উপজেলাস্থ মধুপুর গ্রামে ১৩ জানুয়ারি (সোমবার) দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এসময় মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মোঃ রবিউল ইসলাম, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর। প্রশিক্ষণে ড. কাজী নূর এ আলম জুয়েল, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, ঢাকা; কৃষিবিদ মোঃ রোকনুজ্জামান, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পাবনা; সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বারি, পাবনা’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. মোঃ শামীম হোসেন মোল্লা, ড. আরিফুল ইসলাম, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেশন পরিচালনা করেন।

দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে আলোচকবৃন্দ বলেন, কৃষি বনায়ন হচ্ছে একই জমি থেকে যুগপৎ কিংবা পর্যায়ক্রমিকভাবে কৃষিপণ্য বা ফসল এবং বনজ দ্রব্য উৎপাদন করা। এ পদ্ধতিতে বহুবর্ষজীবী কাষ্ঠল বৃক্ষের নিচে ও আশেপাশে একবর্ষজীবী বা মৌসমী উচ্চ মূল্যের ফসল উৎপাদন করা যায়। কৃষি বনায়ন হলো সনাতন ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি। কৃষিজ ও বনজ বৃক্ষের সম্মিলিত চাষাবাদের ফলে একজন কৃষক ভূমির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অধিকতর উৎপাদন ও মুনাফা অর্জন করতে পারেন। বক্তারা আরো বলেন, ফল বাগান স্থাপনের পর একটি ফসল নিয়ে জমি ফাঁকা ফেলে না রেখে সহজেই উচ্চ মূল্যের ফসল হিসেবে ধনিয়া, ফুলকপি, বাধাকপি, ব্রোকলি, গাজর, লাউ, মৌলভী কচু, মিষ্টিকুমড়াসহ মৌসুমী বিভিন্ন শাক-সবজি ও ডাল ফসল চাষ করা যায়। এসকল ফসল পুষ্টি উপাদান গ্রহণের জন্য ফল বাগানের সাথে প্রতিযোগিতা করে না বরং ডাল ফসল মাটিতে পুষ্টি উপাদান যোগ করে। নিরাপদ ফসল উৎপাদনে মাটি পরীক্ষা করে সার প্রদান, বালাই দমনে অনুমোদিত জৈব কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকের সুষ্ঠ ব্যবহারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা প্রশিক্ষণ হতে আহরিত প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞানকে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের প্রতি প্রশিক্ষণার্থীদের আহবান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাবনায় কৃষকের মাঝে কৃষি বনায়ন প্রযুক্তি জনপ্রিয়করণ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫

পাবনা অঞ্চলে কৃষকের মাঝে কৃষি বনায়ন প্রযুক্তি জনপ্রিয়করণ শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, পাবনা’র আয়োজনে পাবনা সদর উপজেলাস্থ মধুপুর গ্রামে ১৩ জানুয়ারি (সোমবার) দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এসময় মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মোঃ রবিউল ইসলাম, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর। প্রশিক্ষণে ড. কাজী নূর এ আলম জুয়েল, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, ঢাকা; কৃষিবিদ মোঃ রোকনুজ্জামান, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য), কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পাবনা; সরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বারি, পাবনা’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. মোঃ শামীম হোসেন মোল্লা, ড. আরিফুল ইসলাম, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেশন পরিচালনা করেন।

দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে আলোচকবৃন্দ বলেন, কৃষি বনায়ন হচ্ছে একই জমি থেকে যুগপৎ কিংবা পর্যায়ক্রমিকভাবে কৃষিপণ্য বা ফসল এবং বনজ দ্রব্য উৎপাদন করা। এ পদ্ধতিতে বহুবর্ষজীবী কাষ্ঠল বৃক্ষের নিচে ও আশেপাশে একবর্ষজীবী বা মৌসমী উচ্চ মূল্যের ফসল উৎপাদন করা যায়। কৃষি বনায়ন হলো সনাতন ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি। কৃষিজ ও বনজ বৃক্ষের সম্মিলিত চাষাবাদের ফলে একজন কৃষক ভূমির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অধিকতর উৎপাদন ও মুনাফা অর্জন করতে পারেন। বক্তারা আরো বলেন, ফল বাগান স্থাপনের পর একটি ফসল নিয়ে জমি ফাঁকা ফেলে না রেখে সহজেই উচ্চ মূল্যের ফসল হিসেবে ধনিয়া, ফুলকপি, বাধাকপি, ব্রোকলি, গাজর, লাউ, মৌলভী কচু, মিষ্টিকুমড়াসহ মৌসুমী বিভিন্ন শাক-সবজি ও ডাল ফসল চাষ করা যায়। এসকল ফসল পুষ্টি উপাদান গ্রহণের জন্য ফল বাগানের সাথে প্রতিযোগিতা করে না বরং ডাল ফসল মাটিতে পুষ্টি উপাদান যোগ করে। নিরাপদ ফসল উৎপাদনে মাটি পরীক্ষা করে সার প্রদান, বালাই দমনে অনুমোদিত জৈব কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকের সুষ্ঠ ব্যবহারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা প্রশিক্ষণ হতে আহরিত প্রযুক্তিভিত্তিক জ্ঞানকে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের প্রতি প্রশিক্ষণার্থীদের আহবান জানান।