ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার মামলা প্রত্যাহারের দাবি

জামাল উদ্দীন কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৯:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে

সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে দায়ের হওয়া ছয়টি মামলাকে “মিথ্যা ও সাজানো” দাবি করে সেগুলো প্রত্যাহারের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তার অভিযোগ, তৎকালীন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় তিনি টানা ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগ করেন। বর্তমানে জামিনে মুক্ত থাকলেও মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে দাবি করেন।

ফরিদুল মোস্তফা খানের ভাষ্য, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের কারণে তিনি নির্যাতনের শিকার হন।

তিনি জানান, মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতীতে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন। সর্বশেষ ৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আবারও লিখিত আবেদন জমা দেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার দায়ের করা ফৌজদারি মামলাটি দীর্ঘদিনেও আদালতে কার্যকরভাবে অগ্রসর হয়নি। পাশাপাশি হাইকোর্টের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন দাখিলে বিলম্ব হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

এদিকে, সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের ঘটনার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (RSF)-সহ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা অতীতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের মানবাধিকার প্রতিবেদনে তার ঘটনার উল্লেখ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ফরিদুল মোস্তফা খান বলেন, “মামলার বোঝা আর সইতে পারছি না। দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে চরম দুর্ভোগের মধ্যে আছি। আমি ন্যায়বিচার ও মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি চাই।”

তিনি তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে দ্রুত প্রত্যাহার, জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা পাসপোর্ট-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার মামলা প্রত্যাহারের দাবি

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে দায়ের হওয়া ছয়টি মামলাকে “মিথ্যা ও সাজানো” দাবি করে সেগুলো প্রত্যাহারের জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তার অভিযোগ, তৎকালীন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের জেরে ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় তিনি টানা ১১ মাস ৫ দিন কারাভোগ করেন। বর্তমানে জামিনে মুক্ত থাকলেও মামলাগুলোর নিষ্পত্তি না হওয়ায় তিনি ও তার পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে দাবি করেন।

ফরিদুল মোস্তফা খানের ভাষ্য, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের কারণে তিনি নির্যাতনের শিকার হন।

তিনি জানান, মামলাগুলো প্রত্যাহার এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতীতে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন। সর্বশেষ ৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আবারও লিখিত আবেদন জমা দেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার দায়ের করা ফৌজদারি মামলাটি দীর্ঘদিনেও আদালতে কার্যকরভাবে অগ্রসর হয়নি। পাশাপাশি হাইকোর্টের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদন দাখিলে বিলম্ব হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

এদিকে, সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খানের ঘটনার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (RSF)-সহ কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা অতীতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ২০২০ সালের মানবাধিকার প্রতিবেদনে তার ঘটনার উল্লেখ রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

ফরিদুল মোস্তফা খান বলেন, “মামলার বোঝা আর সইতে পারছি না। দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক, সামাজিক ও মানসিকভাবে চরম দুর্ভোগের মধ্যে আছি। আমি ন্যায়বিচার ও মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি চাই।”

তিনি তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করে দ্রুত প্রত্যাহার, জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা পাসপোর্ট-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।