ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশের ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযান আটক ৩!

সাধন সাহা জয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৮৮ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের বিশেষ ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের তিন নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

​আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন—বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে মকবুল হোসেন (৪১), কাইমপুর ইউনিয়নের পানিয়ারূপ গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে কামাল উদ্দিন (৫৬) এবং খাড়েরা দক্ষিণ গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে মেজবাউর রহমান রিমন ভূঁইয়া (৫৬)।

​কসবা থানা সূত্রে জানা যায়, আটককৃতদের মধ্যে মকবুল হোসেন বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য এবং স্থানীয়ভাবে সংগঠনের অর্থ জোগানদাতা হিসেবে পরিচিত। কামাল উদ্দিন কাইমপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি এবং মেজবাউর রহমান রিমন ভূঁইয়া খাড়েরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

​পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, চলমান বিশেষ ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

​এ বিষয়ে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতান জানান, অপরাধ দমন এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আইন অমান্যকারী ও অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশের ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযান আটক ৩!

আপডেট সময় : ১২:০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের বিশেষ ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের তিন নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

​আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন—বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে মকবুল হোসেন (৪১), কাইমপুর ইউনিয়নের পানিয়ারূপ গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে কামাল উদ্দিন (৫৬) এবং খাড়েরা দক্ষিণ গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে মেজবাউর রহমান রিমন ভূঁইয়া (৫৬)।

​কসবা থানা সূত্রে জানা যায়, আটককৃতদের মধ্যে মকবুল হোসেন বায়েক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য এবং স্থানীয়ভাবে সংগঠনের অর্থ জোগানদাতা হিসেবে পরিচিত। কামাল উদ্দিন কাইমপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি এবং মেজবাউর রহমান রিমন ভূঁইয়া খাড়েরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

​পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, চলমান বিশেষ ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানের অংশ হিসেবে তাদের আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

​এ বিষয়ে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতান জানান, অপরাধ দমন এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আইন অমান্যকারী ও অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

​পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি ও আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হবে।