ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ঈশ্বরদীর পদ্মাপাড়ে সন্ত্রাসের আতঙ্ক, নিরাপত্তার দাবিতে মানববন্ধন বিএনপিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ষড়যন্ত্রকারীদের রাজনীতি চিরতরে কবর দেওয়া হবে: হাবিবুর রহমান ঈশ্বরদীতে বসতবাড়ি দখল করে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণ: হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ঈশ্বরদীতে পোল্ট্রি খামারে বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজের মান যাচাইয়ে মাঠে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সরকারি সফরের নামে স্ত্রী নিয়ে সচিবের ভ্রমণ কুমিল্লায় ১০ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ২  ঠাকুরগাঁওয়ে হিফজুল কুরআন ও হুসনে সওত প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ফরিদপুরে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টা: সপ্তাহ পেরোলেও ধরাছোঁয়ার বাহিরে আসামি রুবেল

রাজশাহী গণপূর্তে আতঙ্কের নাম আবু সিনা মোহাম্মদ মাসুম

রাজশাহী প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫ ৩৮৪ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী গণপূর্ত বিভাগ ২ এ ঘুরে ফিরে একই মুখ প্রকৌশলী আবু সিনা মোহাম্মদ মাসুম ২০১২ ও ২০১৭ সালে উপসহকারী প্রকৌশলী ই /এম হিসেবে যোগ দান করেন এবং তার দায়িত্ব পড়ে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতাল দেখাশোনার ভাড় ।

গণপূর্ত বিভাগ ২ এর একজন উপ সহকারী প্রকৌশলী কে একজন ঠিকাদার শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এমনকি তার মাথা ফাটিয়ে দেয় যার ফলে সেই উপ সহকারী প্রকৌশলী রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সমস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী সেই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে থাকলেও উপ সহকারী প্রকৌশলী আবু সিনা মোঃ মাসুম অভিযুক্ত ঠিকাদারের পক্ষে অবস্থান নেই এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঐক্য ও সুনাম নষ্ট করে। যার ফলে পূর্ত প্রশাসন ক্ষুব্ধ হয়ে আবু সিনা মোহাম্মদ মাসুম কে ২০২০ সালে বরগুনা গণপূর্ত বিভাগে বদলি করে দেন।

কিন্তু তাকে বরগুনা গণপূর্ত বিভাগে খুব বেশি দিন থাকতে হয়নি কারণ সে অগাধ টাকার মালিক।পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে ও টাকার জোরে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের আওতায় নির্মাণাধীন বাংলাদেশের সব থেকে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে পোস্টিং নেন।

পাবনা গণপূর্ত বিভাগে সেখানেও সে ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন ফলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বনিবনা না হওয়ায় রাজশাহী গণপূর্ত বিভাগ ১ এ বদলি হয়ে আসেন।

পরবর্তীতে সে ২০২৪ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের উত্তরাঞ্চলের অন্যতম নেতা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এর জোর তদবিরে আবার বদলি হয়ে গণপূর্ত বিভাগ ২ রাজশাহীতে বদলি হয়ে আসেন।

রাজশাহী গণপূর্ত বিভাগ ২ এ বদলি হওয়ার পরে সে রাজশাহী মেডিকেলের ইলেক্ট্রো মেডিকেল কাজ দেখার দায়িত্ব পায় এবং পূর্বের ন্যায় আবারও লুটপাট শুরু করে।

সে ও তার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জনাব জান্নাতি নূর এর সহযোগিতায় কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারদেরকে নামমাত্র দুই থেকে তিন শতাংশ লাভ দিয়ে কাজ কিনে নিয়ে নিজেই করেন। উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী জান্নাত ই নূরএকজন আওয়ামীলীগের দোসর ফলে সে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এ এইচ এম খাইরুজ্জামান লিটনের সরাসরি হস্তক্ষেপে দুই দুইবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন।

উপ সহকারী প্রকৌশলী জনাব আবু সিনা মোঃ মাসুম ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে তার নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী শহরে একাধিক প্লট , বাড়ি ও ফ্লাট ক্রয় করেছেন।

তার দুর্নীতির ছোট্ট একটি উদাহরণ হল রাজশাহী মেডিকেলে পাঁচটি জেনারেটর রয়েছে জেনারেটরগুলিতে ঘন্টায় ৮ থেকে ১০ লিটার ডিজেল লাগে কিন্তু সে প্রতি ঘন্টায় ৪৫ /৫০ লিটার ডিজেলের খরচ দেখায়। যার প্রেক্ষিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাপক পরিমাণ অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে। এই তেলচুরির টাকা জেনারেটর অপারেটার আবু সায়েম , আবু সিনা মোঃ মাসুম ভাগ বাটোয়ারা করে খায় ।

*পাঁচটি* জেনারেটরে মাসে কমপক্ষে ৬০০থেকে ৭০০ লিটার ডিজেল এবং ২০০ লিটার লুব্রিকেটিং অয়েল বিক্রি করে খায় মাসুম। মাসুমের অপকর্মের বিষয় জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাজশাহী গণপূর্তে আতঙ্কের নাম আবু সিনা মোহাম্মদ মাসুম

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

রাজশাহী গণপূর্ত বিভাগ ২ এ ঘুরে ফিরে একই মুখ প্রকৌশলী আবু সিনা মোহাম্মদ মাসুম ২০১২ ও ২০১৭ সালে উপসহকারী প্রকৌশলী ই /এম হিসেবে যোগ দান করেন এবং তার দায়িত্ব পড়ে রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতাল দেখাশোনার ভাড় ।

গণপূর্ত বিভাগ ২ এর একজন উপ সহকারী প্রকৌশলী কে একজন ঠিকাদার শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এমনকি তার মাথা ফাটিয়ে দেয় যার ফলে সেই উপ সহকারী প্রকৌশলী রামেক হাসপাতালে ভর্তি হন।

এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের সমস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী সেই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে থাকলেও উপ সহকারী প্রকৌশলী আবু সিনা মোঃ মাসুম অভিযুক্ত ঠিকাদারের পক্ষে অবস্থান নেই এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঐক্য ও সুনাম নষ্ট করে। যার ফলে পূর্ত প্রশাসন ক্ষুব্ধ হয়ে আবু সিনা মোহাম্মদ মাসুম কে ২০২০ সালে বরগুনা গণপূর্ত বিভাগে বদলি করে দেন।

কিন্তু তাকে বরগুনা গণপূর্ত বিভাগে খুব বেশি দিন থাকতে হয়নি কারণ সে অগাধ টাকার মালিক।পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে ও টাকার জোরে পাবনা গণপূর্ত বিভাগের আওতায় নির্মাণাধীন বাংলাদেশের সব থেকে বড় প্রকল্প রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পে পোস্টিং নেন।

পাবনা গণপূর্ত বিভাগে সেখানেও সে ব্যাপক দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন ফলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে বনিবনা না হওয়ায় রাজশাহী গণপূর্ত বিভাগ ১ এ বদলি হয়ে আসেন।

পরবর্তীতে সে ২০২৪ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের উত্তরাঞ্চলের অন্যতম নেতা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন এর জোর তদবিরে আবার বদলি হয়ে গণপূর্ত বিভাগ ২ রাজশাহীতে বদলি হয়ে আসেন।

রাজশাহী গণপূর্ত বিভাগ ২ এ বদলি হওয়ার পরে সে রাজশাহী মেডিকেলের ইলেক্ট্রো মেডিকেল কাজ দেখার দায়িত্ব পায় এবং পূর্বের ন্যায় আবারও লুটপাট শুরু করে।

সে ও তার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জনাব জান্নাতি নূর এর সহযোগিতায় কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ঠিকাদারদেরকে নামমাত্র দুই থেকে তিন শতাংশ লাভ দিয়ে কাজ কিনে নিয়ে নিজেই করেন। উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী জান্নাত ই নূরএকজন আওয়ামীলীগের দোসর ফলে সে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এ এইচ এম খাইরুজ্জামান লিটনের সরাসরি হস্তক্ষেপে দুই দুইবার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন।

উপ সহকারী প্রকৌশলী জনাব আবু সিনা মোঃ মাসুম ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে তার নিজ জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী শহরে একাধিক প্লট , বাড়ি ও ফ্লাট ক্রয় করেছেন।

তার দুর্নীতির ছোট্ট একটি উদাহরণ হল রাজশাহী মেডিকেলে পাঁচটি জেনারেটর রয়েছে জেনারেটরগুলিতে ঘন্টায় ৮ থেকে ১০ লিটার ডিজেল লাগে কিন্তু সে প্রতি ঘন্টায় ৪৫ /৫০ লিটার ডিজেলের খরচ দেখায়। যার প্রেক্ষিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাপক পরিমাণ অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে। এই তেলচুরির টাকা জেনারেটর অপারেটার আবু সায়েম , আবু সিনা মোঃ মাসুম ভাগ বাটোয়ারা করে খায় ।

*পাঁচটি* জেনারেটরে মাসে কমপক্ষে ৬০০থেকে ৭০০ লিটার ডিজেল এবং ২০০ লিটার লুব্রিকেটিং অয়েল বিক্রি করে খায় মাসুম। মাসুমের অপকর্মের বিষয় জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি ।