চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন. ড. মো. আখতার হোসেন
- আপডেট সময় : ১০:৫২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে
বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন বলেছেন, চাহিদার কারণে সামনের দিনগুলোতে সারা বিশ্বেই আরও বেশি জ্বালানির প্রয়োজন হবে। তবে গবেষণা বলছে জ্বালানির চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কাজেই আগামীর দিনগুলোতে এনার্জি ও এনভায়রনমেন্টকে সমন্বয় করে উদ্ভাবনমুখী গবেষণা করতে হবে। এজন্য বিকল্প জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সাথে এর সহজলভ্যতা ও ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় আমাদেরকে অবশ্যই গ্রীন এনার্জি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রুয়েটে আয়োজিত ‘ইন্টারন্যাশনাল সিম্পোজিয়াম অন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথাগুলো বলেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইনস্টিটিউট অব এনার্জি এ্যন্ড এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রোকনুজ্জামান এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউ এইচ জোয়ারদার। রুয়েটের সিএসই সেমিনার রুমে দিনব্যাপী এই সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল স্টাডিজ ও রুয়েট প্রশাসন।
অনুষ্ঠানে পৃথক তিনটি কি-নোট সেশনে স্পিকার হিসেবে প্রেজেন্টেশন তুলে ধরেন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেলস-এর সহযোগী অধ্যাপক নায়েফ কাশেক (Dr. Naef A.A. Qasem), চীনের শেনজেনে অবস্থিত হারবিন ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো. মাহবুব আলম (Dr. Md. Mahbub Alam) এবং যুক্তরাজ্যে অবস্থিত কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের রিডার ইন ফ্লুইডস অ্যান্ড অ্যাকোস্টিকস ড. এলদাদ আভিটাল (Dr. Eldad Avital)।
এসময় প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয় রেগুলার এনার্জি ব্যবহারের মাধ্যমে সারা বিশ্বে কী পরিমাণ কার্বন নি:সৃত হচ্ছে এবং সামনে আমাদের বিকল্প জ্বালানির উৎসগুলো কী। সেই সাথে বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে বিশ্ব কীভাবে উপকৃত হবে।
দিনব্যাপী আয়োজিত সিম্পোজিয়ামে ৮টি টেকনিক্যাল সেশন অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে গবেষকবৃন্দ তাদের শতাধিক গবেষণাপত্র প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরবেন। সিম্পোজিয়ামে রুয়েটের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অশংগ্রহণ করেন।



















