ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ নওগাঁর মান্দায় সড়ক উন্নয়ন কাজে বাধা’ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সমাধান সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ’ রাস্তাবিহীন মানবেতর জীবনযাপন ঈশ্বরদীতে মুলাডুলি প্রিমিয়ার লীগ সিজন-৩ এর খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার- ১ ঈশ্বরদীতে অপপ্রচারের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরদীতে শতাধিক মৌচাষীর অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের আপসহীন কণ্ঠস্বর খোন্দকার দেলোয়ার: স্বাধীনতা পদকই হোক যোগ্য সম্মান” দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াতে ঈশ্বরদীতে ‘তারবিয়াতুল উম্মাহ্ নূরানী মাদরাসা উদ্বোধন হাড় ভাঙার শব্দ শোনার অপেক্ষায় তৃণমূল; অলিদ বিন সিদ্দিকের সমালোচনার ইতি টানার ঘোষণা

পাকশী রিসোর্ট অবৈধভাবে দখলের পায়তারা’ থানায় অভিযোগ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ০১:১৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪ ৩৮৭ বার পড়া হয়েছে

ঈশ্বরদী পাকশীতে অবস্থিত পাকশী রিসোর্ট লিঃ’’ এর পরিচালনার অস্থায়ী ভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজেকে মালিকানা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ‘‘পাকশী রিসোর্ট লিঃ’’ এর চেয়ারম্যান ও প্রয়াত আকরাম আলী খান (সঞ্জুর) স্ত্রী মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া।

লিখিত অভিযোগ বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৯ বছর যাবৎ পাকশী রিসোর্ট দক্ষতা ও সম্মানের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে। মরহুম সঞ্জু খানের স্ত্রী তানিয়ার দ্বারা পরিচালিত পাকশী রিসোর্টটি আকরাম আলী খান সঞ্জুর সহদোর বড় ভাই আহসান আলী খান আরজু কে মৌখিকভাবে অস্থায়ী পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়। তবে এব্যাপারে লিখিত চুক্তিপত্র করার কথা হলেও আরজু খান রাজি হয়নি।
রিসোর্টে চেয়ারম্যান মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া জানান, রিসোর্টের কর্নধার হিসেবে মরহুম আকরাম আলী খান সঞ্জু ৫০% ও তার (আমি) স্ত্রী মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া ৫০% মালিকানায় পরিচালনার দায়িত্বে ছিলাম। সঞ্জু খানের মৃত্যুর পর উক্ত রিসোর্টে মরহুম আকরাম আলী খান সঞ্জুর রেখে যাওয়া ৫০% মালিকানা শেয়ারের বৈধ অংশীদার হোন তার দুই ছেলে ও স্ত্রী (আমি) মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া । আগেই থেকেই আমার ৫০% মালিকানা রয়েছে। আমাদের বড় ছেলে মো. শেরহান খান (২৭) ও ছোট ছেলে মো. শাহের খান (২২) প্রবাসে থাকায় আমি নিজেই রিসোর্টটি পরিচালনা করি। আমি ঢাকায় থাকায় আকরাম আলী খান সঞ্জুর সহদোর বড় ভাই আহসান আলী খান আরজু কে মৌখিকভাবে অস্থায়ী ভাবে পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান করি। বিগত কয়েক মাস থেকে আরজু খান আমার বা আমাদের সাথে আগের মতো যোগাযোগ করে না এবং কোন পাওনাদিও পরিশোধ করে না। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যান। পরিচালনা করতে গিয়ে সে নিজেই তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য উক্ত রিসোর্টটি সম্পূর্ন ভাবে নিজের ভোগ দখলে নেওয়ার পরিকল্পনায় লিপ্ত হয়েছেন। বহিরাগত লোকজন নিয়ে রিসোর্টে প্রবেশ করে আমিসহ আমার রিসোর্টে কর্মরত কর্মচারীদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছেন, যেন আমরা রিসোর্ট পরিচালনা করতে না পারি। এ অবস্থায় আমি পাকশী ইউনিয়ন পরিষদ ও ঈশ^রদী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আহসান আলী খান আরজু। তিনি বলেন, মৌখিকভাবে আমাকে রিসোর্ট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো। মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া বাহিরে থাকায় আমি প্রতিমাসে তাকে চুক্তিভিত্তিক টাকা পাঠিয়ে দেয়। হঠাৎ করে তিনি রিসোর্টে এসে সমস্ত কিছু পরিচালনার দায়িত্ব নিজে নিতে চান। তবে আমাকে নির্দিষ্ট সময় আগে বিষয়টি অবহিত করা উচিত ছিলো। আমি রিসোর্টটি জোরপূর্বক দখল বা মালিকানা দাবী করিনি।
এ বিষয়ে পাকশী ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিন্টু বলেন, আমার পরিষদে লিখিত অভিযোগ পেয়ে সরজমিনে রিসোর্টে গিয়েছিলাম। তবে এ বিষয়ে তাদের পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুই পক্ষের সাথেই কথা বলেছি। এ অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পাকশী রিসোর্ট অবৈধভাবে দখলের পায়তারা’ থানায় অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:১৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

ঈশ্বরদী পাকশীতে অবস্থিত পাকশী রিসোর্ট লিঃ’’ এর পরিচালনার অস্থায়ী ভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিজেকে মালিকানা দাবির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ‘‘পাকশী রিসোর্ট লিঃ’’ এর চেয়ারম্যান ও প্রয়াত আকরাম আলী খান (সঞ্জুর) স্ত্রী মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া।

লিখিত অভিযোগ বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৯ বছর যাবৎ পাকশী রিসোর্ট দক্ষতা ও সম্মানের সাথে পরিচালিত হয়ে আসছে। মরহুম সঞ্জু খানের স্ত্রী তানিয়ার দ্বারা পরিচালিত পাকশী রিসোর্টটি আকরাম আলী খান সঞ্জুর সহদোর বড় ভাই আহসান আলী খান আরজু কে মৌখিকভাবে অস্থায়ী পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়। তবে এব্যাপারে লিখিত চুক্তিপত্র করার কথা হলেও আরজু খান রাজি হয়নি।
রিসোর্টে চেয়ারম্যান মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া জানান, রিসোর্টের কর্নধার হিসেবে মরহুম আকরাম আলী খান সঞ্জু ৫০% ও তার (আমি) স্ত্রী মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া ৫০% মালিকানায় পরিচালনার দায়িত্বে ছিলাম। সঞ্জু খানের মৃত্যুর পর উক্ত রিসোর্টে মরহুম আকরাম আলী খান সঞ্জুর রেখে যাওয়া ৫০% মালিকানা শেয়ারের বৈধ অংশীদার হোন তার দুই ছেলে ও স্ত্রী (আমি) মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া । আগেই থেকেই আমার ৫০% মালিকানা রয়েছে। আমাদের বড় ছেলে মো. শেরহান খান (২৭) ও ছোট ছেলে মো. শাহের খান (২২) প্রবাসে থাকায় আমি নিজেই রিসোর্টটি পরিচালনা করি। আমি ঢাকায় থাকায় আকরাম আলী খান সঞ্জুর সহদোর বড় ভাই আহসান আলী খান আরজু কে মৌখিকভাবে অস্থায়ী ভাবে পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান করি। বিগত কয়েক মাস থেকে আরজু খান আমার বা আমাদের সাথে আগের মতো যোগাযোগ করে না এবং কোন পাওনাদিও পরিশোধ করে না। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যান। পরিচালনা করতে গিয়ে সে নিজেই তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য উক্ত রিসোর্টটি সম্পূর্ন ভাবে নিজের ভোগ দখলে নেওয়ার পরিকল্পনায় লিপ্ত হয়েছেন। বহিরাগত লোকজন নিয়ে রিসোর্টে প্রবেশ করে আমিসহ আমার রিসোর্টে কর্মরত কর্মচারীদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছেন, যেন আমরা রিসোর্ট পরিচালনা করতে না পারি। এ অবস্থায় আমি পাকশী ইউনিয়ন পরিষদ ও ঈশ^রদী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আহসান আলী খান আরজু। তিনি বলেন, মৌখিকভাবে আমাকে রিসোর্ট পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো। মোনাজ্জামা মুশতারী তানিয়া বাহিরে থাকায় আমি প্রতিমাসে তাকে চুক্তিভিত্তিক টাকা পাঠিয়ে দেয়। হঠাৎ করে তিনি রিসোর্টে এসে সমস্ত কিছু পরিচালনার দায়িত্ব নিজে নিতে চান। তবে আমাকে নির্দিষ্ট সময় আগে বিষয়টি অবহিত করা উচিত ছিলো। আমি রিসোর্টটি জোরপূর্বক দখল বা মালিকানা দাবী করিনি।
এ বিষয়ে পাকশী ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিন্টু বলেন, আমার পরিষদে লিখিত অভিযোগ পেয়ে সরজমিনে রিসোর্টে গিয়েছিলাম। তবে এ বিষয়ে তাদের পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুই পক্ষের সাথেই কথা বলেছি। এ অভিযোগ বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।