ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পাবনায় হাঁটের ইজারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ নওগাঁর মান্দায় সড়ক উন্নয়ন কাজে বাধা’ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে সমাধান সরকারি জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণ’ রাস্তাবিহীন মানবেতর জীবনযাপন ঈশ্বরদীতে মুলাডুলি প্রিমিয়ার লীগ সিজন-৩ এর খেলোয়াড় নিলাম অনুষ্ঠিত ঈশ্বরদীতে র‌্যাবের অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার- ১ ঈশ্বরদীতে অপপ্রচারের অভিযোগে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন ঈশ্বরদীতে শতাধিক মৌচাষীর অংশগ্রহণে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গণতন্ত্র ও স্বাধিকার আন্দোলনের আপসহীন কণ্ঠস্বর খোন্দকার দেলোয়ার: স্বাধীনতা পদকই হোক যোগ্য সম্মান” দ্বীনি শিক্ষার আলো ছড়াতে ঈশ্বরদীতে ‘তারবিয়াতুল উম্মাহ্ নূরানী মাদরাসা উদ্বোধন হাড় ভাঙার শব্দ শোনার অপেক্ষায় তৃণমূল; অলিদ বিন সিদ্দিকের সমালোচনার ইতি টানার ঘোষণা

অবৈধ রেস্টুরেন্টে দাপটের রাজত্ব— ভয়ংকর নীরবতা প্রশাসনের!

শোয়েব হোসেন--
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর দক্ষিণখানের কসাইবাড়ি রেলগেট সংলগ্ন ১ নম্বর সেকান্দর মার্কেটে অবস্থিত “বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর এন্ড রেস্টুরেন্ট” বহু বছর ধরে আইন অমান্য করে অদ্ভুত দাপটের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছে। আশ্চর্যের বিষয়—এই রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরটি সরাসরি পথচারীদের চলাচলের রাস্তার মধ্যেই অবস্থিত!

সরেজমিনে দেখা গেছে, ধূলা-বালি, যানবাহনের কালো ধোঁয়া, আবর্জনা ও দূষিত পরিবেশের মাঝেই প্রতিনিয়ত সেখানে রান্না, ভাজাভুজি ও খাবার পরিবেশন চলছে।দেখা যাচ্ছে, দোকান বন্ধ থাকুক কিংবা খোলা,রান্না ঘরটি যেন রাস্তার ফুটপাথেই স্থায়ী ভাবে থেকে যায়। অথচ নেই কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, উচ্ছেদ অভিযান কিংবা স্বাস্থ্য বিভাগ বা সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বহু বছর ধরে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ দাপট, প্রভাব ও অপশক্তির আশ্রয়ে রাষ্ট্রীয় বিধি-নিষেধ অমান্য করে নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।এলাকাবাসী মাঝে মাঝে আপত্তি তুললেও ভয়ংকর রকমের রক্তচক্ষু দেখিয়ে তাদের ভয়ভীতির মধ্যে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অনেকেই জানান, এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে নাকি রয়েছে একদল ছিচকে মাস্তান, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী। এমনকি কারও কারও মতে,

“সিটি কর্পোরেশনের বাবারও সাহস নেই তাদের ‘টু’ শব্দটি বলার।”

রেস্টুরেন্টের খাবার খেয়ে অসুস্থ হওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। একাধিক ক্রেতা জানান, দূষিত পরিবেশে তৈরি খাবার খাওয়ার পর তারা পেটের সমস্যা ও সংক্রমণে ভুগেছেন। কিন্তু প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো অপমান ও হুমকির মুখে পড়তে হয়।

এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে—
কেন প্রশাসন নীরব?
কেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা দেখেও দেখছেন না?
কাদের আশ্রয়ে “বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর” এত বছর ধরে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে টিকে আছে?

জনস্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা আইনের প্রতি এভাবে প্রকাশ্য অবজ্ঞা একটি গুরুতর অপরাধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তবে এ ধরনের অপরাধী রেস্টুরেন্টগুলো সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

অতএব, অবিলম্বে প্রয়োজন প্রশাসনিক অভিযান, তদন্ত এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা।
এবং সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ—
জনস্বার্থে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

অবৈধ রেস্টুরেন্টে দাপটের রাজত্ব— ভয়ংকর নীরবতা প্রশাসনের!

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর দক্ষিণখানের কসাইবাড়ি রেলগেট সংলগ্ন ১ নম্বর সেকান্দর মার্কেটে অবস্থিত “বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর এন্ড রেস্টুরেন্ট” বহু বছর ধরে আইন অমান্য করে অদ্ভুত দাপটের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছে। আশ্চর্যের বিষয়—এই রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরটি সরাসরি পথচারীদের চলাচলের রাস্তার মধ্যেই অবস্থিত!

সরেজমিনে দেখা গেছে, ধূলা-বালি, যানবাহনের কালো ধোঁয়া, আবর্জনা ও দূষিত পরিবেশের মাঝেই প্রতিনিয়ত সেখানে রান্না, ভাজাভুজি ও খাবার পরিবেশন চলছে।দেখা যাচ্ছে, দোকান বন্ধ থাকুক কিংবা খোলা,রান্না ঘরটি যেন রাস্তার ফুটপাথেই স্থায়ী ভাবে থেকে যায়। অথচ নেই কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, উচ্ছেদ অভিযান কিংবা স্বাস্থ্য বিভাগ বা সিটি কর্পোরেশনের তৎপরতা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বহু বছর ধরে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ দাপট, প্রভাব ও অপশক্তির আশ্রয়ে রাষ্ট্রীয় বিধি-নিষেধ অমান্য করে নির্বিঘ্নে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।এলাকাবাসী মাঝে মাঝে আপত্তি তুললেও ভয়ংকর রকমের রক্তচক্ষু দেখিয়ে তাদের ভয়ভীতির মধ্যে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অনেকেই জানান, এই প্রতিষ্ঠানের পেছনে নাকি রয়েছে একদল ছিচকে মাস্তান, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী। এমনকি কারও কারও মতে,

“সিটি কর্পোরেশনের বাবারও সাহস নেই তাদের ‘টু’ শব্দটি বলার।”

রেস্টুরেন্টের খাবার খেয়ে অসুস্থ হওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। একাধিক ক্রেতা জানান, দূষিত পরিবেশে তৈরি খাবার খাওয়ার পর তারা পেটের সমস্যা ও সংক্রমণে ভুগেছেন। কিন্তু প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো অপমান ও হুমকির মুখে পড়তে হয়।

এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে—
কেন প্রশাসন নীরব?
কেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা দেখেও দেখছেন না?
কাদের আশ্রয়ে “বিসমিল্লাহ কাবাব ঘর” এত বছর ধরে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে টিকে আছে?

জনস্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা আইনের প্রতি এভাবে প্রকাশ্য অবজ্ঞা একটি গুরুতর অপরাধ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তবে এ ধরনের অপরাধী রেস্টুরেন্টগুলো সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

অতএব, অবিলম্বে প্রয়োজন প্রশাসনিক অভিযান, তদন্ত এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা।
এবং সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ—
জনস্বার্থে যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।